জাতীয় বেতনস্কেলের আওতাভুক্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঝুঁকি ভাতা ২০ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার অর্থ বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনের শর্ত অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩০ জুন তারিখে আহরিত ঝুঁকি ভাতার পরিমাণের সঙ্গে তার ওপর ২০ শতাংশ যুক্ত করে নির্ধারিত নতুন পরিমাণটি ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে এবং কর্মীরা সেই অনুযায়ী ঝুঁকি ভাতা প্রাপ্য হবেন। এছাড়া ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত অর্থ বিভাগের পূর্বের নিয়ম অনুযায়ীই ঝুঁকি ভাতা বহাল থাকবে।
নতুন এই ঝুঁকি ভাতা জাতীয় বেতনস্কেল অনুযায়ী মূল বেতনের শতাংশ হিসেবে নির্ধারিত হবে না। এছাড়া প্রেষণে নিয়োজিত কোনো কর্মচারী নিজ নিজ দপ্তর, সংস্থা বা বাহিনীর জন্য নির্ধারিত পৃথক কোনো ঝুঁকি ভাতা, বিশেষ ভাতা বা প্রতিরক্ষা সার্ভিস ভাতা প্রাপ্য হবেন না।
পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের ব্যয় সংকোচন নীতিতে শর্ত শিথিল
অন্যদিকে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের আওতায় বিভিন্ন খাতের ব্যয় স্থগিত বা হ্রাসের বিষয়ে জারিকৃত পূর্বের নির্দেশনায় দুটি শর্ত শিথিল করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। অর্থ বিভাগ এ-সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পরিচালন বাজেটের ক্ষেত্রে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট স্থাপনা ব্যতীত নতুন আবাসিক, অনাবাসিক বা অন্যান্য ভবন নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকবে। তবে চলমান নির্মাণ কাজের অন্তত ৭০ শতাংশ সম্পন্ন হয়ে থাকলে অর্থ বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে তা নির্বাহ করা যাবে। এছাড়া জরুরি প্রয়োজনে উপযুক্ত যৌক্তিকতা প্রদান সাপেক্ষে অন্যান্য মন্ত্রণালয় বা বিভাগের প্রস্তাবের ক্ষেত্রে কেস-টু-কেস অনুমোদনক্রমে ব্যয় নির্বাহ করা যাবে।
অন্যদিকে উন্নয়ন বাজেটের ক্ষেত্রে ভূমি অধিগ্রহণের প্রাক্কলনেও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রবাসীর সংস্থা কর্তৃক ভূমি অধিগ্রহণের প্রাক্কলনে জেলা প্রশাসকের চাহিদার প্রেক্ষিতে বরাদ্দ থাকলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ অর্থ ছাড় করবে এবং জেলা প্রশাসক হতে প্রাক্কলন পাওয়ার পর দ্রুত অর্থ ছাড় করতে হবে।
গত ৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে জারিকৃত মূল পরিপত্রের অন্যান্য ব্যয় স্থগিত বা হ্রাসের অন্যান্য সংকোচনমূলক পদক্ষেপগুলো অপরিবর্তিত থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

