১৫-১৬ মাসের কাজ দিয়ে সবকিছু বোঝা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, ‘ব্যর্থতা নিয়ে বিদায় নিচ্ছি না। কেননা, দামের নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে নয়।’ মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, ‘মাংস ও মাছের দামের ঊর্ধ্বগতি, এটা আমার নিয়ন্ত্রণের কাজ না। এগুলো উৎপাদনের সঙ্গে আমরা নিয়োজিত। এই অল্প সময়ের মধ্যে যথাসাধ্য চেষ্টার মাধ্যমে কাজ করে গেছি।’
তিনি বলেন, ‘আগে শুধু যাচ্ছেতাইভাবে গবাদি পশু মোটাতাজাকরণ ও উৎপাদনের ওপর নির্ভর ছিল। আমরা সেটি পাল্টে মানসম্মতভাবে উৎপাদন ও মোটাতাজাকরণে গুরুত্ব দিয়েছি।’
ফরিদা আখতার বলেন, ‘সোনার ব্যবহার করে অতিরিক্ত মাছ আহরণের কারণে ইলিশসহ অন্যান্য মৎস্যসম্পদ কমে গেছে। সেটা আমরা বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছি। অধিক আহরণের কারণে মাছের প্রাপ্যতা তিন ভাগের এক ভাগ হয়ে গেছে।’
তিনি বলেন, বিদ্যুতে রিবেটসহ ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি পাওয়া গেছে। ১ লাখ ৩২ হাজার থেকে বেড়ে ১৫ লাখ করা হয়েছে।
উপদেষ্টা আরো বলেন, সুন্দরবন ও হাওরের অন্যান্য জেলেরা ভিজিএফ পাবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

