আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনের প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য পরিকল্পনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইউএনডিপির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।
আখতার আহমেদ বলেন, ইউপি নির্বাচনের সময় নির্ধারণের ক্ষেত্রে এসএসসি পরীক্ষা, পবিত্র রমজান, বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব ও জাতীয় দিবসসহ স্থানীয় পর্যায়ের সামাজিক বাস্তবতাগুলো বিবেচনায় নেওয়া হবে। সব দিক পর্যালোচনা করে নির্বাচন কমিশন একটি সমন্বিত ও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে।
তিনি বলেন, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) ‘ব্যালট’ প্রকল্পের অধীনে ইসি সচিবালয়, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশিক্ষণের একটি প্রস্তাব নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। অপতথ্য, ভুল তথ্য ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য মোকাবিলায় সংশ্লিষ্টদের দক্ষতা বাড়ানোই এ প্রশিক্ষণের লক্ষ্য। এটি কোনো নির্দিষ্ট নির্বাচনকেন্দ্রিক কার্যক্রম নয়; বরং ধারাবাহিক সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি উদ্যোগ। প্রস্তাবটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। পরবর্তী আলোচনায় প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তু ও অংশগ্রহণকারীদের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।
ইসি সচিব জানান, গত ১৭ সেপ্টেম্বরের আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় নির্বাচনের সময়সূচিসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তাব এসেছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা প্রয়োজনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি কমিশন।
তিনি বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির সুষ্ঠু ও সফল নির্বাচন জনগণের প্রত্যাশার একটি উচ্চ মানদণ্ড তৈরি করেছে। সেই মান বজায় রাখার পাশাপাশি ভবিষ্যতে তা আরো উন্নত করার লক্ষ্যেই কমিশন কাজ করছে।
আখতার আহমেদ আরো বলেন, ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র ও প্রয়োজনীয় নির্বাচনি সরঞ্জাম প্রস্তুতের পাশাপাশি স্থানীয় পরিস্থিতি ও পরিবেশও মূল্যায়ন করা হবে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এমএমআর
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


