সেতুর টোল মওকুফ না করার ইঙ্গিত সড়কমন্ত্রীর

স্টাফ রিপোর্টার

সেতুর টোল মওকুফ না করার ইঙ্গিত সড়কমন্ত্রীর

দেশের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং সেতু বিভাগের আওতাধীন সেতুর টোল মওকুফ না করার বিষয়ে সংসদে ইঙ্গিত দিয়েছেন সড়কমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, সেতুর টোল আদায়ের নীতিমালা আছে। সেই সেতুর টোল আদায় বন্ধ করার সুযোগ যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের কম।

সোমবার জাতীয় সংসদে জরুরি জন-গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ৭১ বিধিতে সংরক্ষিত আসনের সদস্য শওকত আরা আক্তারের প্রশ্নের জবাবের এক পর্যায়ে মন্ত্রী এ ইঙ্গিত দেন।

বিজ্ঞাপন

শেখ রবিউল আলম বলেন, আমরা যারা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছি, তারা নির্বাচনের আগে অধিকাংশ জায়গায় টোল মওকুফের কথা বলেছি। হয়তো নির্বাচিত হওয়ার স্বার্থে জনমত গঠনের জন্য তা বলেছি। যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সেতু নির্মাণ করে ও সেতু ব্যবস্থাপনা করে। কিন্তু টোল আদায় হচ্ছে রাজস্ববিষয়, যা অর্থনৈতিক বিভাগ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত। যোগাযোগ মন্ত্রণালয় রাজস্ব আদায় রহিত করতে পারে না অথবা কোনো এমপিও তা করতে পারেন না। রাজস্ব আদায় না হলে অর্থের অভাবে এই সংসদও চলবে না। যেসব সংসদ সদস্য এ দাবিগুলো জানিয়েছেন বা জনগণের কাছে ওয়াদা করেছেন, তাদের দাবিগুলোর বিষয়ে অর্থ বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে ছাড় দেওয়া যায় কি না, সেটা একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

আন্তঃনগর ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে থামানোর দাবি প্রসঙ্গে এ মন্ত্রী বলেন, যেখানে রেললাইন আছে, সেখানে ট্রেন থামানোর জন্য সংসদ সদস্যরা ওয়াদা করেছেন। কিন্তু আন্তঃনগর ট্রেন কোন স্টপেজে থামবে, তার একটি নীতিমালা রয়েছে। নীতিমালা বিবেচনা করে স্টপেজ নির্ধারণ করা হয়। সব জায়গায় যদি ট্রেনগুলো থামাতে চান, তাহলে আন্তঃনগর ট্রেন থাকবে না, সব লোকাল ট্রেন হয়ে যাবে।

সংসদ সদস্যদের চার লেনের সড়ক নির্মাণের দাবি প্রসঙ্গে সড়কমন্ত্রী বলেন, সব মেম্বার অব পার্লামেন্ট নির্বাচনের আগে অধিকাংশ জায়গায় বলার চেষ্টা করেছেন, ফোর লেন সড়ক করে দেবেন। এখন ফোর লেন সড়ক হওয়ার জন্য ওই এলাকায় যানবাহন কতটুকু চলে, যাত্রীর সংখ্যা কত, মালবাহী পরিবহন কী পরিমাণ আছে—সেগুলো বিবেচনা করেই লেন নির্ধারণ করা হয়। জেলা পর্যায়ে দুই লেনের সড়ক যথেষ্ট বলে আমরা মনে করি। আর যেসব ন্যাশনাল হাইওয়ে চার লেন করার দাবি আছে, সেগুলোর পরিকল্পনা আছে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন