উদ্বোধনী অনুষ্ঠানসহ দুদিনের বিশ্বকাপ ম্যাচ মিস করলেন গ্রামীণফোনের ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ পাস ক্রেতারা। তবে টাকা ঠিকই গ্রামীণফোনের পকেটেই রইল। অবশ্য ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ প্যাকেজ ঘিরে কারিগরি ত্রুটির কথা ‘আমার দেশ’-কে জানিয়েছে গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ।
কয়েকজন গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফিফা বিশ্বকাপ শুরুর দিন অর্থাৎ গত ১১ মে থেকে ‘ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ পাস’ নামে তিনটি প্যাকেজ ছাড়ে গ্রামীণফোন। প্রথম প্যাকেজ ২৪ ঘণ্টার জন্য, দাম ২৮ টাকা; দ্বিতীয় প্যাকেজ ৭ দিনের জন্য ১২৭ টাকা এবং তৃতীয় প্যাকেজ ৪৫ দিনের জন্য ১৯৯ টাকা। এই পাস দিয়ে গ্রামীণফোনের বায়োস্কোপ প্ল্যাটফর্ম থেকে ফিফা বিশ্বকাপের খেলার স্ট্রিমিং দেখা যাবে বলে জানানো হয়।
স্বল্প আয়ের কিংবা স্বল্প মেয়াদের প্যাকেজ গ্রাহকেরাই গত দুদিনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সবচেয়ে বেশি। গ্রামীণফোনের ৮ কোটি ৪৯ লাখ গ্রাহকের মধ্যে কতজন এই প্যাকেজ কিনেছেন তা জানা যায়নি। তবে ন্যূনতম এক লাখ গ্রাহকও যদি এই প্যাকেজ কিনে থাকেন, তাহলে এই এক লাখ গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং এক দিনেই গ্রামীণফোনের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে প্রায় ৩০ লাখ টাকা।
উত্তরার বাসিন্দা আব্দুর রহমান জানান, গত রাতে তিনি ১২৭ টাকার একটি প্যাকেজ কেনেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে এক মিনিট দেখা গেলেও পরে তিনি আর তা দেখতে পাননি।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে গ্রামীণফোনের হেড অব কমিউনিকেশনস শারফুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী শনিবার রাতে আমার দেশকে জানান, একটি অনাকাঙ্ক্ষিত কারিগরি ত্রুটির কারণে কিছু গ্রাহক বায়োস্কোপ প্ল্যাটফর্মে ফিফা বিশ্বকাপ স্ট্রিমিংয়ের সময় বিঘ্নের সম্মুখীন হয়েছেন। আমাদের টিম বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুততম সময়ে সেবা স্বাভাবিক করতে কাজ করেছে। এ কারণে সৃষ্ট সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। একই সঙ্গে গ্রাহকদের ধৈর্য ও সহযোগিতার জন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

