পাবনার ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা মহানন্দা এক্সপ্রেস ট্রেনে সান্টিং ইঞ্জিনের ধাক্কায় অন্তত ১৫ যাত্রী আহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে যাত্রীদের ধাওয়ায় সান্টিং ইঞ্জিনের লোকোমাস্টার পালিয়ে যান বলে জানা গেছে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে ছুটে যান পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল। তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আহত যাত্রীদের খোঁজখবর নেন এবং রেল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রেলওয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন।
ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. আসলাম হোসেন জানান, খুলনা থেকে রাজশাহীগামী মহানন্দা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় একটি সান্টিং ইঞ্জিন পেছন দিক থেকে এসে মহানন্দা ট্রেনটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রেনটির ১৫ জন যাত্রী আহত হন।
ঈশ্বরদী রেলওয়ে জিআরপি থানার ওসি মো. জিয়াউর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। পরে মহানন্দা এক্সপ্রেস রাজশাহীর উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
তিনি আরো বলেন, দুর্ঘটনার পর যাত্রীরা চালককে ধাওয়া করলে তিনি সেখান থেকে চলে যান। পরে আবার ফিরে আসেন।
এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই স্টেশনে ছুটে গিয়ে পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখেন এমপি অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল। তিনি আহত যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের চিকিৎসাসহ সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
এ সময় এমপি বলেন, রেলযাত্রীদের নিরাপত্তার সঙ্গে কোনো ধরনের অবহেলা করা যাবে না। কীভাবে সান্টিং ইঞ্জিনটি মহানন্দা এক্সপ্রেসের পেছনে গিয়ে ধাক্কা দিল, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখতে হবে। দায়িত্বে কারও অবহেলা থাকলে তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দুর্ঘটনার কারণ ও দায়িত্বে কারও গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় যাত্রী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা।
এমই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

