পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর, ভালো ও গভীর সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশ ও সৌদি আরব জেনেভা কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশ। দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় তথ্য বিনিময়ে ঘাটতি রয়েছে। কেন এই ঘাটতি হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে সৌদি আরবের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই ঘটনা অবশ্যই দুঃখজনক। তথ্য বিনিময়ে ঘাটতি রয়েছে। এই প্রক্রিয়ার কোথায় ঘাটতি আছে, তা খতিয়ে দেখতে দুই পক্ষের মধ্যে কথা বলছি।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে অভিযোগ বা অপরাধের দায়ে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, তা বাংলাদেশের জন্য হতাশাজনক। পবিত্র মক্কায় মানুষ ধর্মীয় ও পবিত্র উদ্দেশ্য নিয়ে যান। সেখানে এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকলে তা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সুযোগ আছে কি না, এ প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, না। রায় তো কার্যকর হয়ে গেছে। হয়ে গেলে তো আর এটার সুযোগ থাকে না। এখন আমরা দেখব, এই ঘাটতিটা কোথায়।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির পরিচয় নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাদের পরিচয় গণমাধ্যমের খবরে এসেছে। কোনো বাংলাদেশি বিদেশে অপরাধে জড়ালে সংশ্লিষ্ট দেশের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে জানানোর বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। এতে কনস্যুলার সেবা দেওয়ার সুযোগ থাকে।
তিনি বলেন, পবিত্র স্থানে মানুষ পবিত্র নিয়তে যান। সেখানে গিয়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়ানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট দেশের স্থানীয় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি রয়েছে। সৌদি আরবে যারা যান, তাদের সে দেশের আইন সম্পর্কে সচেতন থাকা উচিত।
ভারতের সঙ্গে কনস্যুলার সংলাপ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংলাপে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে। দুই পক্ষের যেসব বিষয়ে আগ্রহ থাকবে, সেগুলো নিয়ে কথা হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


