আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

আমার দেশের ৪ সাংবাদিক পেলেন ‘জুলাই বীরত্ব’ সম্মাননা

স্টাফ রিপোর্টার

আমার দেশের ৪ সাংবাদিক পেলেন ‘জুলাই বীরত্ব’ সম্মাননা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সাহসী ভূমিকা ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে দৈনিক আমার দেশের চার সাংবাদিকসহ প্রায় ১ হাজার ২০০ জন আহত ব্যক্তি, শহীদ পরিবার ও সাংবাদিককে ‘জুলাই বীরত্ব’ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

সম্মাননা পাওয়া সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন দৈনিক আমার দেশের মাল্টিমিডিয়া শিফট ইনচার্জ আরমান মুজাহিদ, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার আশরাফুল আমিন, জাহিদুল ইসলাম পাপ্পু এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মাহির কাইয়ুম। জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে সাহসী সাংবাদিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তাদের এই সম্মাননা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার ফেলানী হত্যা দিবসে রাজধানীতে ‘জুলাই বীর সম্মাননা’ প্রদান অনুষ্ঠান হয়।

আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনের উদ্যোগে ও জেএএম সংস্থার সার্বিক সহযোগিতায় ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স (আইডিইবি) মিলনায়তনে দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জুলাই আন্দোলনে আহত, শহীদ পরিবার ও সাংবাদিকদের মাঝে সম্মাননা স্মারক ও আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়। আয়োজকদের তথ্যমতে, দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে প্রায় ১ হাজার ২০০ জনকে সম্মাননা দেওয়া হয়। এর মধ্যে জুলাই মাসে সাহসী ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ১০২ জন সাংবাদিককে ‘বার্তাবীর’ সম্মাননা দেওয়া হয়।

সংগঠনটির সদস্যসচিব আলামিন আটিয়া ও ডাকসুর সদস্য তাজিনুর রহমানের সঞ্চালনায় এবং ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক তারেক আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেএএম সংস্থার চেয়ারম্যান মেহরিন উজমা।

এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠনের নেতা, শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত ব্যক্তি ও সাংবাদিকরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসলাম চৌধুরী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সফলতার কারণেই আজ আমরা মুক্ত। শহীদ আবু সাঈদসহ সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। যারা নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে, তাদের বিচার অবশ্যই এই বাংলার মাটিতে হতে হবে। আমরা প্রাথমিকভাবে আপনাদের পাশে থাকতে পেরে আনন্দিত। আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়েও কাজ করা হবে।

অনুষ্ঠানে ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিগবাতুল্লাহ সিগবাহ বলেন, জুলাই শহীদ ও বিচার নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র হলে তার পরিণতি হবে দ্বিতীয় জুলাই। বাংলার বুকে বিদেশি আধিপত্যবাদ কিংবা কোনো নব্য ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে দেওয়া হবে না।

সভাপতির বক্তব্যে আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তারেক আজিজ বলেন, দেশের প্রান্তিক অঞ্চল থেকে দেড় বছর পর জুলাইযোদ্ধা আহতরা এসে জুলাই আন্দোলনকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন। এজন্য সবাইকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। জুলাই গাদ্দারদের কবলে পড়েছে; একে বাঁচাতে, বিচার নিশ্চিত করতে এবং আগ্রাসনমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে জুলাইযোদ্ধাদের কোনো বিকল্প নেই।

এসময় জুলাইযোদ্ধাদের নেতৃত্বে জেলা, উপজেলা, পাড়া-মহল্লায় আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনের শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন