বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)-এর পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন)-এর নাম ও পদবি ব্যবহার করে ভুয়া প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। মঙ্গলবার বিসিসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশের সকল সরকারি দপ্তর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ জনগণকে এ ধরনের প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি একটি সংঘবদ্ধ চক্র তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের নগর এবং গ্রামের জীবনযাত্রার আধুনিকীকরণ শীর্ষক এক ভুয়া প্রকল্পের নামে প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত চিঠি, নোটিশ ও জাল কাগজপত্র ছড়িয়ে দিচ্ছে। এসব জাল চিঠির মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
প্রতারক চক্রটির ছড়ানো জাল চিঠিতে দেখা যায়, গত ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে পরিচালক মো. মাহবুব করিমের স্বাক্ষরে কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালনা বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দাবি করা হয়, দেশের ১০৪টি উপজেলার ৫২০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যেখানে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ৩০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিতে পারবে এবং ল্যাব সুবিধা বাধ্যতামূলক। সেখানে ১ জুলাই থেকে ২০ জুলাই ২০২৬-এর মধ্যে প্রশিক্ষণ শেষ করার নির্দেশ দিয়ে কেন্দ্র ফি, প্রশিক্ষক সম্মানী এবং শিক্ষার্থীদের নগদ এর মাধ্যমে ভাতা ও ফি লেনদেনের ভুয়া আর্থিক হিসাব দেখানো হয়।
এ বিষয়ে বিসিসি সুস্পষ্টভাবে জানিয়েছে, বিসিসি কর্তৃক পরিচালিত সকল প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেন সম্পূর্ণ নির্ধারিত ও অনুমোদিত অফিশিয়াল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদানের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে বিসিসি কখনো কোনো ধরনের চার্জ বা ফি গ্রহণ করে না।
সংস্থাটি অননুমোদিত কোনো কার্যক্রম বা ব্যক্তির সঙ্গে আর্থিক লেনদেন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে বিনীত অনুরোধ জানিয়েছে। একই সঙ্গে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন করা হলে তার কোনো দায়ভার বিসিসি বহন করবে না।
এমই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

