বাংলাদেশের সাথে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা এবং বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও অভিন্ন সমৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার বিষয়ে দুই সরকার প্রধান গুরুত্বারোপ করেছেন বলে জানিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১২টায় টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘কানতেই’তে দ্বিপক্ষীয় এ বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জাপান বাংলাদেশকে গভীরভাবে সমর্থন করে। বে অব বেঙ্গল ঘিরে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী জাপান। বাংলাদেশে মেরিটাইম সেফটির জন্য জাপান সহযোগিতা করবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
এছাড়া বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট কে যুগোপযোগী করার বিষয়ে দুই দেশের ঐকমত্যের কথাও জানান তাকাইচি।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত ৫০ বছরে বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্ক ক্রমেই সুদৃঢ় হয়েছে। জাপান বাংলাদেশের এক বিশ্বস্ত ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন অংশীদার। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে জাপান সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।’
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ‘কৌশলগত অংশীদারত্বে’ উন্নীত করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে তাকাইচি আশা প্রকাশ করেন, এর মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। একই সঙ্গে দুই দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৌঁছালে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। গার্ড অব অনার প্রদান শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পারষ্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে জাপান বাংলাদেশ সম্পর্ক। দুই দেশের বন্ধুত্বকে অর্থনৈতিক সুযোগ ও অভিন্ন সমৃদ্ধির শক্তিশালী ভিত্তিতে রূপান্তর করাই দুই দেশের লক্ষ্য বলেও জানান তিনি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


