ক্ষমতার পরিবর্তন বা রেজিম চেঞ্জ সম্পন্ন হতে ৯ মাস সময় লাগলেও শেষ পর্যন্ত বাস্তবে রূপ নিয়েছে। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং মোসাদ প্রধান ডেভিড বার্নিয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মাথায় এই ধারণা ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন যে, ইরানে ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব। এই ধারণা মাথায় নিয়েই ট্রাম্প ইরানে হামলা শুরু করেন এবং ক্ষমতার পরিবর্তনের সেই ৯ মাস পর বাস্তবে রূপ নিল। কিন্তু তা ইরানে নয়, বরং তা ঘটেছে মার্কিন সিনেট ও কংগ্রেসে। এর আগে ইসরাইলের নির্বাচনেও একই পরিণতি হয়েছে নেতানিয়াহুর, তিনিও ক্ষমতা থেকে বিদায়ের পথে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে এবং নেতানিয়াহুর শেষ মেয়াদে যে নেওয়া সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত, তা এখন স্পষ্ট। তবে ইরানই যে তাদের একমাত্র প্রতিপক্ষ তা কিন্তু নয়। যে প্রেসিডেন্ট ইরান সম্পর্কে কিছুই জানতেন না, তার জন্য এটি শুধু একটি ব্যর্থ বাজিই ছিল না, বরং তার চেয়েও বেশি কিছু ছিল। যেহেতু পুরো বিষয়টি নেতানিয়াহুর মস্তিষ্কপ্রসূত ছিল, তাই ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ আন্দোলনের নেতা ট্রাম্পের জন্য এই ব্যর্থতা আরো বেশি লজ্জাজনক।
অন্যদিকে, নেতানিয়াহু তার জীবনের অধিকাংশ সময় ইরানকে ধ্বংস করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছেন এবং তার জন্য এই ব্যর্থতা ছিল ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা। এটি ছিল সামরিক ও গোয়েন্দা সক্ষমতার অতি-আস্থার একটি বড় উদাহরণ। নেতানিয়াহু ও মোসাদপ্রধান ভেবেছিলেন, হামাস ও হিজবুল্লাহর ক্ষেত্রে তারা যা করতে পেরেছেন, ইরানেও তা-ই করতে পারবেন। কিন্তু তারা ইরানের প্রতিরোধ সক্ষমতার অবমূল্যায়ন করেছিলেন, যার মাশুল তারা দিচ্ছেন। ইরানে আগ্রাসনের ফলে জ্বালানি তেলের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধিসহ সমগ্র বিশ্বেই যে অর্থনৈতিক বিপর্যয় নেমে এসেছে, তা মার্কিন রাজনীতিতে বড় ধরনের ভূমিকম্প সৃষ্টি করেছে। কিন্তু এই বিপর্যয়ের তার মূল কারণ কিন্তু শুধু এটিই নয়।
সাধারণ শত্রু
দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্পের ক্ষমতায় আসার পথ প্রশস্ত করতে ডেমোক্র্যাটদের বড় ভূমিকা ছিল। তারা এটি করেছে জো বাইডেনকে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ দিয়ে। বাইডেন সরে দাঁড়ানোর পর ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে প্রার্থী হিসেবে বেছে নিয়ে তারা সেই ভুলকে আরো বাড়িয়ে তুলেছে। ২০২৪ সালের সেই নির্বাচনে হ্যারিস যদি জয়ী হতেন, তবে ডেমোক্রেটিক পার্টির কেউই ইসরাইলকে সামরিক সহায়তা বন্ধ করার কথা তুলতেন না। কারণ, গাজায় ইসরাইলের গণহত্যা শুরুর দিকে বাইডেন ও হ্যারিস তাতে সমর্থন দিয়েছেন এবং অস্ত্র সরবরাহ করেছেন। এটি ছিল তাদের এমন এক নীতি, যার দায়ভার থেকে তারা কখনোই মুক্ত হতে পারবেন না। একইভাবে গাজার কারণেই ‘আমেরিকান ইসরাইল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি’ (আইপ্যাক) যা একসময় একটি শক্তিশালী গোষ্ঠী ছিল, তা এখন একটি বিষাক্ত উপাদানে পরিণত হয়েছে।
নবনির্বাচিত মার্কিন সিনেটর আল-সাইয়েদকে ট্রাম্প এবং তার রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক রজার্স ‘মুসলিম ব্রাদারহুড’-এর সমর্থক হিসেবে অভিযুক্ত করেছিলেন। ট্রাম্প বলেছিলেন, “সে শতভাগ মুসলিম ব্রাদারহুডের লোক’। যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ গণমাধ্যমই ট্রাম্পের সে মিথ্যা দাবিটি প্রচার করে। মিশিগানে সাইয়েদের এই জয় ইসরাইলের বিষয়ে মার্কিন নীতির ওপর এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় গণভোটে পরিণত হয়েছে। ইসরাইলি পত্রিকা ‘দ্য জেরুসালেম পোস্ট’ এক মূল্যায়নে বলেছে, মিশিগানের এই নির্বাচন ইসরাইলের প্রতি মার্কিন সমর্থনের ক্ষেত্রে গভীর প্রভাব ফেলেছে। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে রিপাবলিকান পার্টিকে বড় ধরনের রাজনৈতিক মূল্য দিতে হয়েছে।”
গণতান্ত্রিক সীমাবদ্ধতা
ডেমোক্রেটিক পার্টি এখনো জায়নবাদ-পরবর্তী অবস্থানে পৌঁছানো থেকে অনেক দূরে আছে। তবে, কংগ্রেসের নতুন প্রজন্মের কাছ থেকে কী ধরনের নীতি আশা করা যেতে পারে, তার একটি রূপরেখা দিয়েছেন মার্কিন কংগ্রেসম্যান রো খান্না। অধিকৃত পশ্চিমতীরে তার সর্বশেষ সফরের সময় তার গাড়িতে সশস্ত্র ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা হামলা করেছিল। খান্না ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদানের পক্ষে, ইসরাইলকে নিঃশর্ত সামরিক সহায়তার বিরুদ্ধে এবং স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও অহিংস প্রতিরোধের পক্ষে কথা বলেছেন। তিনি ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত অবসানে ‘দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান’-এর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি জায়নবাদ এবং ইসরাইলের ‘অস্তিত্বের অধিকার’ থাকাও সমর্থন করেন।
নড়বড়ে ভিত্তি
ইসরাইল তার পুরো ইতিহাসে যেমন নব্যউদারবাদী ডানপন্থিদের সমর্থনের ওপর নির্ভর করেছে, তেমনই নির্ভর করেছে মধ্য-বামপন্থি উদারবাদী জায়নবাদীদের সমর্থনের ওপরও। বর্তমানে এ দুটি ভিত্তিই নড়বড়ে বা অস্থির হয়ে পড়েছে। মার্কিন রিপাবলিকানদের জন্য এই পরাজয়ের শিক্ষা আরো বেশি স্পষ্ট। মঙ্গলবার কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের বিশাল জয়ের পেছনে মূল কারণ ছিল জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, শুল্কনীতি এবং মার্কিন নেতৃত্বাধীন যুদ্ধগুলোতে চরম অস্থিতিশীলতা। এই অস্থিতিশীলতার বড় একটি কারণ ছিল ট্রাম্পের সঙ্গে তার দুই ঘনিষ্ঠ মিত্র রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং নেতানিয়াহুর সম্পর্ক। ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ বা ‘মাগা’ স্লোগানের কট্টর সমর্থকরা এখন তার সঙ্গ ত্যাগ করেছেন।
ট্রাম্প বরাবরই দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র দেশ বা বিদেশে যা কিছু করে, তা শুধু প্রেসিডেন্টের একক সিদ্ধান্তে হয়। এই পথ ধরেই তিনি আগামী দিনে হয়তো ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন। এমনকি তিনি আবার সরকারি কার্যক্রম বন্ধ (গভর্নমেন্ট শাটডাউন) করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করতেও উসকানি যে দেবেন, তা নিশ্চিত।
আরো কঠোর নজরদারি
বহির্বিশ্বে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের ওপর একটি গণভোট হিসেবেই দেখা হবে। তবে নির্বাচনে এমন ফলাফলের পর ইরানে বিমান হামলা আবার শুরু করাটা আগের চেয়েও বেশি রাজনৈতিক আত্মঘাতী হবে। কেননা ট্রাম্প ও ভ্যান্স এই নির্বাচনি ফলাফলকে ইরান যুদ্ধের সরাসরি পরিণতি বলে ইতোমধ্যেই স্বীকার করেছেন।
ট্রাম্প এখন পতনের পথে। নতুন কংগ্রেসের অধীনে ট্রাম্প পরিবার এখন আরো কঠোর আর্থিক নজরদারির মুখে পড়বে। প্রতিনিধি রবার্ট গার্সিয়া, যিনি হাউস ওভারসাইট কমিটির চেয়ারম্যান হতে যাচ্ছেন, তিনি যখন ট্রাম্পকে ‘আইনজীবী প্রস্তুত রাখার’ পরামর্শ দেন, তখন এটা যে কোনো রসিকতা নয়, তা বুঝতে কারো অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। ট্রাম্প পরিবারের সদস্যরা প্রতিটি সংকট এবং আসন্ন শুল্ক আরোপের ঘটনাকে নিজেদের আখের গোছানোর সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করেছেন।
অন্য যেকোনো পরিস্থিতিতে একে ‘ইনসাইডার ট্রেডিং’ বা অভ্যন্তরীণ তথ্য ব্যবহার করে অনৈতিক মুনাফা অর্জন বলা হতো, কিন্তু ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসে এটি ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। তার জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলারের সব কর্মকাণ্ড এখন কঠোর তদন্তের আওতায় আসবে। হাউস ওভারসাইট কমিটির বিশেষ আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে বিদেশি বিনিয়োগকারী এবং সরকারি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে ট্রাম্প পরিবারের লাভজনক ব্যবসায়িক সম্পর্ক, বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্ষেত্রে।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্পের শপথ গ্রহণের চার দিন আগে আরব আমিরাত-সমর্থিত বিনিয়োগকারীরা ‘ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফিন্যান্সিয়াল’র (একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি কোম্পানি) ৪৯ শতাংশ শেয়ার কেনার জন্য ৫০ কোটি ডলার প্রদান করে। এই কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ট্রাম্পের দুই ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র এবং এরিক ট্রাম্প। এই বিনিয়োগের পেছনে ছিলেন আরব আমিরাতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং দেশটির প্রেসিডেন্টের ভাই শেখ তাহনুন বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।
‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাথমিক অর্থ প্রদানের মধ্যে ১৮ কোটি ৭০ লাখ ডলার ট্রাম্প পরিবারের সঙ্গে যুক্ত কোম্পানিগুলোর কাছে গেছে। এছাড়া ৩ কোটি ১০ লাখ ডলার গেছে স্টিভ উইটকফের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর কাছে যিনি ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত এবং এই উদ্যোগের অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
এই অর্থের উৎস অনুসন্ধান করতে গিয়ে তদন্তকারীরা ট্রাম্প ও তার পরিবারকে উপসাগরীয় দেশগুলোর দেওয়া ঘুসের বিষয়গুলো অনায়াসেই উন্মোচন করতে পারেন। এই তদন্তের আওতায় গাজায় ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’কেও অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। এই বোর্ডটি বিলুপ্ত করে এর পরিবর্তে জাতিসংঘের একটি আন্তর্জাতিক কাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন।
ইসরাইলে নেতানিয়াহুপন্থি শিবির যদি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির বর্তমান গতিপথ নিয়ে শঙ্কিত হয়ে থাকে, তবে উপসাগরীয় অঞ্চলের নেতাদেরও আতঙ্কিত হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে। উপসাগরীয় ছোট অথচ ধনী রাষ্ট্রগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র এতদিন এমন এক বিভ্রান্তিকর ধারণা দিয়েছিল, তারা চারপাশের বিশৃঙ্খলা থেকে সুরক্ষিত। কিন্তু ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রগুলো যুক্তরাষ্ট্রের কথিত সেই নিরাপত্তা বলয়কে চুরমার করে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলও একই বার্তা দিচ্ছে। এই ফল আবার নিশ্চিত করেছে, ট্রাম্পের পেছনে অর্থ বিনিয়োগ করে উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের অর্থের অপচয়ই করেছে।
নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে এখন আঞ্চলিক জোট গঠন এবং পারস্পরিক প্রতিরক্ষা নিশ্চয়তার দিকেই ভবিষ্যতের কৌশল হিসেবে নজর দিতে হবে। আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান উভয়েই তাদের দেশের কৌশল সাজিয়েছিলেন ট্রাম্পকে কেন্দ্র করে। নিঃসন্দেহে, এটি তাদের নেওয়া সবচেয়ে বাজে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত ছিল।
এই নেতারা ট্রাম্পের সামনে নতি স্বীকার করেছিলেন। গত বছর কাতারে অনুষ্ঠিত ‘দোহা ফোরাম’ কার্যত ট্রাম্পকেন্দ্রিক আয়োজনে পরিণত হয়েছিল। সেখানে ট্রাম্পের ছেলেরা ছিল মূল আকর্ষণ, আর হলজুড়ে ছিল মার্কিন প্রতিনিধিদের ভিড়। এটি স্পষ্টই বুঝিয়ে দিয়েছিল, কাতার কোনদিকে ঝুঁকে পড়ছে। ইউরোপের অবস্থাও ছিল একই ধরনের। এখন তারা কি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের নীতির প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠবে, বিশেষ
করে ইউক্রেন ইস্যুতে?
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল ব্রিটিশ সরকারের জন্যও স্পষ্ট সতর্কবার্তা। ফিলিস্তিনের সমর্থনে গড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক আন্দোলন, যা যুক্তরাষ্ট্রের এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের পেছনে ভূমিকা রেখেছে, তা সহজে মিলিয়ে যাবে না। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর তীব্রতা আরো বাড়বে। যদি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বার্নহাম ফিলিস্তিনিদের এবং বৃহত্তর অর্থে আরব বিশ্বের কাছে শুধু ফাঁকা প্রতিশ্রুতি দেন, তবে বার্নহামের পরিণতিও স্টারমারের মতোই হবে। ইসরাইলি দখলদারিত্বের বিষয়ে শুধু মুখে বড় বড় কথা বললে চলবে না, বার্নহামকে বাস্তবেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
মিডল ইস্ট আই অবলম্বনে মোতালেব জামালী
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

