আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

বিএনপির নতুন কান্ডারি, নতুন পরিকল্পনা

সৈয়দ আবদাল আহমদ

বিএনপির নতুন কান্ডারি, নতুন পরিকল্পনা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নতুন কান্ডারি এখন তারেক রহমান। তার সামনে এখন বড় বড় চ্যালেঞ্জ। তাকে ঘিরে দলের তৃণমূল নেতাকর্মী ও দেশের জনগণের প্রত্যাশাও বহুমুখী। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং প্রত্যাশা পূরণ তিনি কীভাবে করবেন সেটাই দেখার বিষয়। তার সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলকে বিজয়ী করে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা। কারণ ২০০৬ সালের পর বিগত ২০ বছর ধরে বিএনপি ক্ষমতার বাইরে রয়েছে। তেমনি চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী উদার গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যাকে ‘রেইনবো নেশন’ বলা হচ্ছে। নতুন প্রজন্ম বা ‘জেন-জেড’ একটি দিকনির্দেশনা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ খুঁজছে। তরুণদের এই চাওয়া এবং রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করা, আধুনিক ও দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করাও তার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। রাষ্ট্র সংস্কারে বিএনপির হ্যাঁ ভোটের পক্ষে অবস্থান একটি দূরদর্শী সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ অসুস্থতার পর গত ৩০ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করলে দলের শীর্ষ পদটি শূন্য হয়। এরপর ৯ জানুয়ারি গুলশানে দলের স্থায়ী কমিটির এক জরুরি বৈঠকে গঠনতন্ত্রের ধারা-৭ (গ), উপধারা-৩ অনুযায়ী সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ‘চেয়ারম্যান’ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীত করা হয়।

বিজ্ঞাপন

তারেক রহমান বর্তমানে দলের চতুর্থতম চেয়ারম্যান। এর আগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৯৮১ সালের ৩০ মে তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রায় তিন বছর চেয়ারম্যান হিসেবে দলকে নেতৃত্ব দেন। জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর ১৯৮১ সালের ৮ জুন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির অনুমোদনক্রমে বিচারপতি আবদুস সাত্তার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং পরে নির্বাচনে চেয়ারম্যান হন। তিনি ১৯৮৪ সালে খালেদা জিয়া দায়িত্ব নেওয়ার আগ পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত ও পূর্ণকালীন মিলিয়ে তিন বছর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৪ সালের ১০ মে খালেদা জিয়া বিএনপি চেয়ারপারসন নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে বিচারপতি সাত্তারের নেতৃত্বের অবসান ঘটে। খালেদা জিয়া ১৯৮৪ সালের ১০ মে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত টানা ৪১ বছরেরও বেশি সময় এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। ২০১৮ সাল থেকে কারাগারে থাকায় তিনি শারীরিকভাবে সক্রিয় ছিলেন না, তবে পদমর্যাদায় তিনিই চেয়ারপারসন ছিলেন।

রাজনীতিতে তারেক রহমানের ৩৮ বছর

তারেক রহমানের রাজনৈতিক জীবন ৩৮ বছরের। ১৯৮৮ সালে তিনি বগুড়ার গাবতলী থানা বিএনপির একজন সাধারণ সদস্য হিসেবে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করেন। এরপর ১৯৯৩ সালের জুন মাসে বগুড়া জেলা বিএনপির সম্মেলনে তিনি জেলা বিএনপির সদস্য হন। দলকে শক্তিশালী করতে তিনি কখনো প্রকাশ্যে, কখনো নেপথ্যে থেকে কাজ করে যান। ২০০২ সালে তারেক রহমান সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির ভূমিধস বিজয়ের নেপথ্যের মূল কারিগর ছিলেন। দলের যুগ্ম মহাসচিব হওয়ার পর তিনি দেশের তৃণমূলপর্যায়ে বিএনপিকে সুসংগঠিত করেন এবং দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠেন তারেক রহমান ‘তৃণমূল সম্মেলন’ আয়োজন এবং ‘গ্রাম মার্চ’ কর্মসূচির মাধ্যমে। প্রতিপক্ষ যখন দেখল জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠছেন তারেক রহমান, তখন থেকেই শুরু হয় ষড়যন্ত্র। আরেক জিয়াউর রহমান তৈরি করা যাবে না। ফলে ওয়ান-ইলেভেনের ষড়যন্ত্রের মূলে সেটাই কাজ করেছে। তাকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করতে সে সময় ষড়যন্ত্রটি করা হয়েছিল। তাই তাকে লন্ডনে নির্বাসনে যেতে বাধ্য করা হয়।

২০০৯ সালে বিএনপির পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিল হলে সেখানে তারেক রহমানকে করা হয় সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান। ২০১৮ সালে চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাগারে গেলে তিনি ‘ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের’ দায়িত্ব নেন এবং লন্ডনের নির্বাসন থেকে ভার্চুয়ালি সভা-সমাবেশ এবং দলীয় কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে দল পরিচালনা করেন। গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করলে পদটি শূন্য হয়। ফলে গত ৯ জানুয়ারি দলের স্থায়ী কমিটির সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিনি চেয়ারম্যান হন।

চ্যালেঞ্জগুলো যেভাবে মোকাবিলা করতে চান তারেক রহমান

তারেক রহমান ১৭ বছর লন্ডনে বাধ্যতামূলক নির্বাসনে থাকার পর বিদায়ি বছর ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে প্রত্যাবর্তন করেন। এরই মধ্যে তিনি তার মা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হারিয়েছেন। বিএনপির নতুন কান্ডারি হওয়ার পর তারেক রহমানের সামনে বর্তমান বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ উপস্থিত। এর মধ্যে নির্বাচনে জয়লাভ করে দলকে ক্ষমতাসীন করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দল থেকে ইতোমধ্যে নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। দলের অনেকেই মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। এসব বিদ্রোহী প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের কাজ ইতোমধ্যে তিনি শুরু করেছেন। যতটুকু জানা গেছে, ৪১টি আসনে বিএনপির একাধিক প্রার্থী নিয়ে দল সংকটে রয়েছে। বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করাতে না পারলে বেশ কিছু আসনে বিজয়ের ক্ষেত্রে ধাক্কা খেতে হবে বিএনপিকে। আগামী ২২ জানুয়ারি তারেক রহমান সিলেটে প্রচার অভিযান শুরু করবেন। এর মাধ্যমে দেশব্যাপী বিএনপির নির্বাচনি প্রচার শুরু হবে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের সঙ্গে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির। নতুন নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্ব এবং কৌশলের ওপরই নির্ভর করবে নির্বাচন বিজয়ের এই চ্যালেঞ্জ কীভাবে তিনি মোকাবিলা করবেন।

তারেক রহমানের সামনে অন্যান্য চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছেÑসব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার মাধ্যমে দেশের ঐক্য ধরে রাখা, বিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠন ও রাষ্ট্র সংস্কার, ফ্যাসিস্টদের বিচার, অর্থনীতিকে তলানি থেকে টেনে তোলা এবং নিজের দলকে নতুন বাস্তবতায় ঢেলে সাজানো। এছাড়া প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটানোও তারেক রহমানের সামনে বড় একটি পরীক্ষা। ২০ বছর পর ক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় দলের ভেতরে শৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রতিহিংসা এড়ানোও একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

৫ আগস্ট আমাদের রাজনীতি নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে

বিএনপির চেয়ারম্যান হওয়ার পরদিনই তারেক রহমান জাতির সামনে উপস্থিত হন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে। দেশের সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেন এবং জাতির সামনে তার রাজনৈতিক পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্টভাবে দেশবাসীকে জানান, তার লক্ষ্য শুধু ক্ষমতায় আসা নয়, বরং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা অর্থাৎ ৫ আগস্টের চেতনা ধারণ করে একটি জবাবদিহিমূলক ও উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য মতভেদ থাকবে, তবে তা যেন বিভেদের কারণ না হয়।’

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হিংসা, প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার রাজনীতির পরিণতিতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এসেছে। আমাদের সমস্যা ছিল, সমস্যা থাকবে। তবে আমরা কোনোভাবে ৫ আগস্টের আগে ফিরে যেতে চাই না। ৫ আগস্টের ঘটনা রাজনীতি নিয়ে নতুন করে আমাদের ভাবতে বাধ্য করেছে।

নিজের উপলব্ধির প্রকাশ করে তারেক রহমান বলেন, ‘আমার একপাশে ১৯৮১ সালের একটি জানাজা, আরেক পাশে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের জানাজা এবং তৃতীয় পাশে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। এসব ঘটনা সামনে রাখলে বোঝা যায় আগের অবস্থায় ফেরার কোনো প্রয়োজন নেই। মতপার্থক্য থাকতেই পারে। দলের ভেতরে বা বাইরের এই মতবিভেদ যেন জাতিকে বিভক্ত করতে না পারে। যেকোনো সংকট সংলাপের মাধ্যমে আমরা সমাধান করতে চাই।’

সবার আগে বাংলাদেশ, গণমাধ্যম রাষ্ট্রের ‘ওয়াচডগ’

তারেক রহমান সবার আগে বাংলাদেশ বা বাংলাদেশ ফার্স্ট স্লোগানে তার দলের পরিকল্পনা নিয়ে জনগণের সামনে যাচ্ছেন। দলের শীর্ষ পদে আসীন হওয়ার একদিনের মধ্যেই তার সরাসরি মিডিয়ার সামনে আসা প্রমাণ করে যে তিনি একটি স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব দিতে চান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন, তার নেতৃত্বে বিএনপি একটি আধুনিক ও উন্মুক্ত রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। তিনি গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের ‘ওয়াচডগ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে সাফ জানিয়ে দেন, তার ভুলগুলোও যেন সাংবাদিকরা নির্ভয়ে তুলে ধরেন। তিনি বারবার ৫ আগস্টের কথা বলেন। এর শিক্ষা হচ্ছে, কোনো রাজনৈতিক দল যদি জনগণের পালস বুঝতে ব্যর্থ হয় এবং তাদের ওপর জুলুম করে, তবে তাদের করুণ পরিণতি অনিবার্য। তিনি একে রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে নিয়েছেন। তাই তিনি দৃঢ়তার সঙ্গেই বলেছেন, তার কাছে বর্তমান বাস্তবতা হলো শুধু ক্ষমতার পরিবর্তন নয়; বরং রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন আনা। তার মতে, শাসনব্যবস্থা এমন হতে হবে, যেখানে প্রধানমন্ত্রীও আইনের ঊর্ধ্বে থাকবেন না। তিনি আরো লক্ষ্য করেছেন, বর্তমান তরুণ প্রজন্ম গতানুগতিক রাজনৈতিক স্লোগানে সন্তুষ্ট নয়, তারা কর্মসংস্থান, আধুনিক রাষ্ট্র কাঠামো এবং সামাজিক মর্যাদা চায়। এই প্রত্যাশা পূরণ করাই এখন রাজনীতির মূল চ্যালেঞ্জ। আগেই বলেছি, তারেক রহমান বক্তৃতায় বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি মনে করেন, মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যম একটি শক্তিশালী ও টেকসই গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য স্তম্ভ। তার মতে, গণমাধ্যম হবে রাষ্ট্রের ‘ওয়াচডগ’। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করলেও যেন কাউকে হয়রানি না করা হয়, এমন রাষ্ট্রকাঠামোই তিনি গড়তে চান। জিয়াউর রহমান একদলীয় শাসন থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্রে দেশকে নিয়ে যান এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেন। খালেদা জিয়া স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র রক্ষায় মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠায় কাজ করেন। তারেক রহমান তার নিজের চিন্তার ক্ষেত্রেও বাবা-মায়ের এবং দলীয় নেতার আদর্শ সমুন্নত রাখার কথা বলেছেন। তিনি বারবার জোর দিচ্ছেন, কোনো স্বৈরাচারী ব্যবস্থা যেন ভবিষ্যতে ফিরে না আসে।

২২ জানুয়ারি থেকে তারেক রহমান বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার ও পরিকল্পনা নিয়ে জনগণের দুয়ারে যাবেন। আট দফা উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কারের রূপরেখা নিয়ে কাজ করছেন। তিনি রেইনবো নেশন বা ঐক্যবদ্ধ জাতির যে কথা বলেছেন তা বাস্তবায়ন করে দেখাতে চান। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি রয়েছে তার। গণভোটে বিএনপির হ্যাঁ ভোটের পক্ষে অবস্থান তারেক রহমানের একটি দূরদর্শী সিদ্ধান্ত। রাষ্ট্র সংস্কারের ধারণা তারেক রহমানই প্রথম দেন। বিএনপির ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব সম্পর্কে সবাই অবহিত। এরপর সবাই মিলে জুলাই সনদ স্বাক্ষর করে, যার ভিত্তিতে গণভোট হচ্ছে। ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পুনরাবৃত্তি রোধ এবং একটি দীর্ঘমেয়াদি গণতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে তোলা তারেক রহমানের সদিচ্ছারই বহিঃপ্রকাশ। এভাবেই তিনি তার ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ বাস্তবায়ন করে তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা অনুযায়ী সুন্দর দেশ গড়তে এগিয়ে যেতে চান।

লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, আমার দেশ

abdal62@gmail.com

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন