দীর্ঘ ৩৫ বছর পর দেশে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন হতে যাচ্ছে। জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে আজ বৃহস্পতিবার বেলা দুটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোট দেবেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। নির্বাচনে বিএনপি ও সমমনাদের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী ড. অলি আহমদ বীরবিক্রম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সংসদ সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত ২৩তম রাষ্ট্রপতি আগামীকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে শপথ নেবেন। স্পিকারের দায়িত্বে থাকা জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।
শপথ নেওয়ার পরপরই রেওয়াজ অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ, নতুন রাষ্ট্রপতির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন।
এরই মধ্যে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসিরউদ্দিন গতকাল বুধবার সাংবাদিকদের জানান, নির্বাচনের সময় কোনো ধরনের প্রচার চালানো যাবে না। ভোট দেওয়ার সময় তাৎক্ষণিক কোনো সমস্যার সৃষ্টি হলে চিফ হুইপ ও বিরোধী দলের চিফ হুইপের শরণাপন্ন হতে হবে।
জানা গেছে, সংসদ কক্ষে প্রবেশের সময় সংসদ সচিবালয় থেকে সরবরাহ করা আইডি কার্ড সঙ্গে রাখতে হবে। নিজ আসনে বসার পর সহায়তাকারী কর্মকর্তার কাছ থেকে নিজের নাম ও বিভক্তি নম্বর মুদ্রিত ব্যালট পেপার নিতে হবে। ব্যালটের কাউন্টার ফয়েল বা চেকমুড়িতে নির্ধারিত স্থানে পূর্ণ নাম লিখে তা সহায়তাকারী
কর্মকর্তার কাছে ফেরত দিতে হবে। কোনো কারণে ব্যালট পেপার নষ্ট হয়ে গেলে তা ব্যালট বাক্সে রাখার আগে নির্বাচনকর্তার কাছে উপস্থাপন করতে হবে। তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
বিকেল পাঁচটায় ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই গণনা শুরু হবে। সর্বাধিক বৈধ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা রেবেলটি নির্বাচনকর্তা। পরে নির্বাচন কমিশন থেকে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে।
সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, ঐতিহাসিক এ নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। আশা করি একটি সুন্দর নির্বাচন হবে। ১৯৯১ সালের পর প্রথমবারের মতো এ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হচ্ছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


