রাজনৈতিক সংস্কৃতির সাম্প্রতিক ভাবনা

রাজনৈতিক সংস্কৃতির সাম্প্রতিক ভাবনা

জীবনের সবকিছু মিলেই গঠিত হয় মানুষের সংস্কৃতি। আচার-ব্যবহার, কথাবার্তা, চিন্তাভাবনা, কাজকর্ম, অভ্যাস, শিক্ষা, সংগ্রাম, ফ্যাশন, দৃষ্টিভঙ্গি, বিশ্বদৃষ্টি (Worldview)—সবকিছু মিলেই গড়ে ওঠে মানুষের সংস্কৃতি। সংস্কৃতির পরিধি খুবই বড়। সমাজ ও দেশভেদে এর গঠনপ্রক্রিয়ায়ও একরূপতা নেই। সংস্কৃতি গঠনে সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ায় ভূমিকা পালনকারী উপাদানগুলো সব দেশে একইভাবে কাজ করে না। এ কারণে সংস্কৃতির আলোচনা বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত করে করা হয়। যেমন—সামাজিক, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক প্রভৃতি সংস্কৃতি। স্বল্প পরিসরে দেড় দশকের কর্তৃত্ববাদী শাসনের আগের ও পরের রাজনৈতিক সংস্কৃতির কিছু বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা যায়।

বিজ্ঞাপন

শেখ হাসিনার দেড় দশকের (২০০৯-২৪) স্বৈরতান্ত্রিক শাসনামলের রাজনৈতিক সংস্কৃতি আলোচনায় প্রথমেই বলা যায় নির্বাচন হত্যার কথা। গণতন্ত্রের প্রাণভোমরা হলো নির্বাচন। সে নির্বাচনকে এ আমলে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। নির্বাচনের ওপর থেকে জনগণের আস্থা উঠে যায়। স্বাধীনতা-উত্তরকাল থেকে অধিকাংশ নির্বাচনের বিরুদ্ধে পরাজিত পক্ষের কারচুপির অভিযোগ ছিল। যদিও বিচারপতি সাহাবুদ্দীনের সর্বসম্মত তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং বিচারপতি হাবিবুর রহমান ও বিচারপতি লতিফুর রহমানের সাংবিধানিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় অনুষ্ঠিত যথাক্রমে পঞ্চম, সপ্তম ও অষ্টম সংসদ নির্বাচনগুলো গ্রহণযোগ্যভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তবে কারচুপির অভিযোগ থাকা নবম সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতায় এসে শেখ হাসিনা আজীবন রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকার ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেন। এ সময় প্রতিটি নির্বাচনে কারচুপি করা হয়। বিশেষ করে দশম থেকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনগুলোতে নির্বাচনি ইঞ্জিনিয়ারিং চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়। এ নির্বাচনগুলোর কোনোটিতে ভোটের আগেই বিজয়ী হওয়া, কোনোটিতে দিনের বদলে রাতে ভোট, আবার কোনোটিতে নিজেরা নিজেরা ‘আমি-ডামি’র ভোট করে নির্বাচন প্রহসনে এবং গণতন্ত্রকে মুমূর্ষু অবস্থায় ঠেলে দেওয়া হয়। এছাড়া কর্তৃত্ববাদী হাসিনা সরকারের আমলে সন্ত্রাস-সহিংসতা, দুর্নীতি ও আর্থিক লুটপাট ব্যাপক আকার ধারণ করে। পরীক্ষায় ডিজিটাল নকল থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ডিজিটাল হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ লুটপাট ওই সময়ের দুর্নীতির ভয়াবহতার প্রমাণ।

এ সময় রাজনৈতিক নিপীড়ন ও বিরোধিতা দমনে মামলা-হামলার ব্যবহার বাড়ে। পররাষ্ট্রনীতিতে ভারতমুখী প্রবণতা প্রাধান্য পায়। ঘটে পিলখানা ও শাপলা চত্বরের মতো হত্যাযজ্ঞ। রাজনৈতিক বিরোধিতা দমনে পোশাকধারী বাহিনীর নির্যাতন বাড়ে। শিক্ষাঙ্গনে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, টর্চার সেল গঠন এবং রাজনীতিতে ক্রসফায়ার, গুম ও আয়নাঘরের মতো নির্যাতনকেন্দ্র সৃষ্টি করে সরকারবিরোধী আন্দোলন দমনের ইতিহাসকে একই সঙ্গে দুর্বিষহ ও ভয়াবহ করে তোলা হয়। স্বদেশি সংস্কৃতির লালন ও উন্নয়ন উপেক্ষা করে রাজধানীতে গড়ে তোলা হয় ক্যাসিনো সংস্কৃতি। ছাত্র-জনতার সরকারবিরোধী আন্দোলন তীব্র হলে তাদের ওপর গুলি চালানো হয়। এসব অন্যায় ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হতে সুশীল সমাজের একাংশকে সুযোগ-সুবিধা দিয়ে কিনে নেওয়া হয়। তারা স্রোতের অনুকূলে নাও বাইতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। একপর্যায়ে ২০২৪ সালে কোটা আন্দোলন থেকে রূপান্তরিত সরকার পতনের জুলাই আন্দোলনের তীব্রতায় শেখ হাসিনা প্রতিবেশী দেশে চলে যাওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারের হাল ধরেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রায় দুই বছর রাষ্ট্র ও সরকার মেরামতের জন্য সবাইকে নিয়ে সংস্কার পরিকল্পনা তৈরির পর তিনি নির্বাচন দেন। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিরাজমান নৈরাজ্য অনেকটা প্রশমিত করে প্রতিটি ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। জাতি নতুন করে আশার আলো দেখতে শুরু করে। জনগণ ভাবেন, নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলে নতুন করে দেশকে গড়ে তুলবে। রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে যুক্ত হবে ইতিবাচকতা। প্রতিষ্ঠিত হবে নিয়ম-শৃঙ্খলা। জাতির সে আশা কতটা পূরণ হবে, তা মূল্যায়নের জন্য আরো অপেক্ষা করতে হবে।

নতুন সরকারকে মূল্যায়ন করার সময় এখনো আসেনি। একটি এলোমেলো ও বিশৃঙ্খল দেশকে নিয়মশৃঙ্খলার মধ্যে আনতে একই সঙ্গে সময় এবং সবার সহযোগিতা লাগে। তবে এখনই মূল্যায়ন করা না গেলেও কাজের লক্ষণ দেখে অনুধাবন করা যায়, সরকার ভবিষ্যতে কেমন করবে। সরকার যদি মন্ত্রিসভা থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রে মেধাকে প্রাধান্য দিয়ে যোগ্য পদে যোগ্য ও মেধাবী লোক নিয়োগ দিত, তাহলে রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও সরকারের কাজকর্মে ইতিবাচকতা বাড়ত। বিএনপির দুর্দিনের কাণ্ডারি এবং পরীক্ষিত কিছু নেতাকে মূল্যায়ন না করে অনেক ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের মূল্যায়ন করা হয়েছে। পদে বসানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে লন্ডন থেকে আগত অনেক সুযোগ্য ব্যক্তিত্বকে। তবে যাদেরই মন্ত্রিত্ব, উপদেষ্টার পদ বা বড় কোনো পদে বসানো হোক, তাদের কাজকর্ম মূল্যায়ন করে দেখা উচিত, তারা মাটি ও মানুষের চাহিদা সম্পর্কে অবহিত হয়ে দেশের স্বার্থ এবং উন্নয়নের দিকে লক্ষ্য রেখে সততার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করছেন কি না।

স্মর্তব্য, আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে উৎখাত হলেও দলটির সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীরা পোশাকধারী বাহিনী, একাডেমিয়া এবং প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত রয়েছেন। এদের অনেককে পদ থেকে না সরিয়ে বদলি করে দেওয়ায় তাদের চরিত্র ভালো হয়ে যায়নি। তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে সেসব পদে দেশপ্রেমিক কর্মকর্তা নিয়োগ করা প্রয়োজন। তবে নিম্নপর্যায়ের সবাইকে একসঙ্গে সরানো সম্ভব না হলে পর্যায়ক্রমে এ কাজ করা যেতে পারে। নিম্নপর্যায়ের কাকে দিয়ে সরকার বস্তুনিষ্ঠভাবে কাজ করাতে পারবে, সে বাছাইপ্রক্রিয়া সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সম্পন্ন করা সহজ নয়। সেজন্য যোগ্য পদে যোগ্য লোক নিয়োগ না দিলে এ কাজ করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। যেভাবে বিসিবিতে এবং একাডেমিয়ায় উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তা জনগণের কাছে ভালো দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না। রামেকে মব সৃষ্টি করে উপাচার্যকে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করানো আরেকটি মন্দ দৃষ্টান্ত। একই সঙ্গে চুয়েটের উপাচার্য নিয়োগের মেলোড্রামাও মন্দ প্রক্রিয়ায় উপাচার্য নিয়োগের দৃষ্টান্ত হিসেবে সরকারি সিদ্ধান্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

দলীয় অঙ্গসংগঠনের কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন পর্যায়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ সরকারি দলের কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। যেকোনো দুর্নীতির ব্যাপারে সরকারকে আরো কঠোর হতে হবে। প্রধানমন্ত্রী একজন এমপির ব্যাপারে তাৎক্ষণিক পদত্যাগের সিদ্ধান্ত দিয়ে ভালো দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বিশৃঙ্খল বিএনপি যদি স্বল্পতম সময়ে দলীয় কার্যক্রমে কঠোর শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে না পারে, তাহলে দলটির গ্রহণযোগ্যতায় অবনমন ঘটবে। দলীয় অঙ্গসংগঠন ও ছাত্রসংগঠনের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। দল বিশৃঙ্খল থাকলে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। নির্মোহভাবে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, উচ্চশিক্ষাঙ্গনে বিরোধী দল-সমর্থিত ছাত্রসংগঠনের মধ্যে যতটা শৃঙ্খলা দৃশ্যমান, সরকারিদল-সমর্থিত ছাত্রসংগঠনের মধ্যে ততটা শৃঙ্খলা প্রতীয়মান হয় না। ছাত্রসংগঠনের মধ্য থেকে বয়স্ক নেতাদের সরিয়ে নিয়মিত ও জনপ্রিয় ছাত্রদের নেতৃত্বের আসনে বসানোর কাজে সরকারদলীয় ছাত্রসংগঠন পিছিয়ে আছে। সবচেয়ে ভালো হয়, সরকার যদি মূল দল, যুবদলসহ অন্য দলীয় অঙ্গসংগঠনগুলো শক্তিশালী করার পাশাপাশি শিক্ষাঙ্গনে ছাত্র-শিক্ষকদের দলীয় রাজনীতির লেজুড়বৃত্তির চর্চা বন্ধ করতে পারে। এ লক্ষ্যে সরকারকে অকার্যকর ১৯৭৩ সালের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ/আইন যুগোপযোগী করে জাতীয় সংসদে বিল পাস করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নেতা তৈরির কারখানা না বানিয়ে যোগ্য গ্র্যাজুয়েট তৈরির কারখানা বানিয়ে ইতিহাসে এ সরকারের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপনের সুযোগ রয়েছে। প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, সংবিধান সংশোধন বা সংস্কার এবং জুলাই সনদের যেসব বিষয়ে সরকারি দল এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত আলোচনায় সম্মত হয়েছিল, সেগুলো বাস্তবায়নে সরকারকে আন্তরিক হতে হবে। এ ব্যাপারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে গড়িমসি করলে সরকারি দল সমালোচিত হবে।

প্রধানমন্ত্রীর দেশপ্রেমে ঘাটতি নেই। তার ভালো কাজ করে দেশ গড়ার ইচ্ছারও ঘাটতি নেই। তবে তার পক্ষে একা সব কাজ করা সম্ভব নয়। এজন্য তাকে এমন দেশপ্রেমিক ব্যক্তিত্বদের পাশে রাখতে হবে, যাদের দিয়ে তিনি জনগণের জন্য ভালো কাজ করাতে পারেন। কিছু ভালো কাজ যে তিনি করছেন না, তা নয়। খাল খনন, পারিবারিক কার্ড বিতরণ এবং নিম্নপর্যায়ের শিক্ষা কারিকুলামে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আনার মতো কাজগুলো ভালো হয়েছে। তবে এসব সিদ্ধান্তের বাস্তবায়নপ্রক্রিয়া পেশাদারিত্বের সঙ্গে সম্পন্ন করা প্রয়োজন। আরো কিছু ভালো কাজের নমুনা হলো—প্রধানমন্ত্রীর সবার সঙ্গে কথা বলা, সাদামাটাভাবে চলাফেরা করা এবং বিদেশে গেলে খুব কমসংখ্যক লোকজন সঙ্গে নেওয়া। এছাড়া সাধারণ ট্রাফিক ব্যবস্থার মধ্যে চলাফেরা করা, নিজের গাড়িবহরে গাড়ির সংখ্যা কমানো, বিদেশে যাওয়ার সময় এবং বিদেশ থেকে ফিরে আসার পর বিমানবন্দরে পুরো মন্ত্রিসভাকে হাজির না করা প্রভৃতি ভালো কাজের দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করা যায়। তবে বিভিন্ন পুরস্কার ও গুণী শিক্ষক সম্মাননা প্রদানের ক্ষেত্রে শিক্ষক নির্বাচনে পেশাদারিত্বের ঘাটতি লক্ষ করা গেছে। এটা দায়িত্বপ্রাপ্তদের খামখেয়ালিপনার কারণে হয়ে থাকতে পারে।

এসব বিষয়ের পাশাপাশি যে বিষয়টিকে প্রধানমন্ত্রীর সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করা যায়, তা হলো তার সাহস এবং পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়নে ভারতের প্রতি একমুখী নির্ভরতা ভেঙে বাংলাদেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক অবদান হিসেবে স্বীকৃত হবে। ভারতের বিকল্প হিসেবে চীন, মালয়েশিয়া, তুরস্ক, আমেরিকা ও আরো অনেক দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রশংসনীয় কাজ করেছেন। তার আত্মসম্মানবোধের সচেতনতা তিনি বিমসটেক সম্মেলনে যোগ না দিয়ে প্রমাণ করেছেন। বাংলাদেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রধানমন্ত্রীর নীতি যেকোনো দেশপ্রেমিক নাগরিক পছন্দ করবেন। দেশকে এগিয়ে নিতে সুনীল অর্থনীতির (Blue Economy) উন্নয়নে চীনের সহায়তা গ্রহণ সময়োপযোগী, বুদ্ধিদীপ্ত ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।

এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে যোগ্য ও দেশপ্রেমিক লোকের প্রয়োজন। দেশে এমন যোগ্য লোকের অভাব নেই। প্রধানমন্ত্রীকে তাদের খুঁজে বের করে কাজে লাগাতে হবে। আর এমন লোকের সংখ্যা কম হলে প্রবাসে অনেক সুযোগ্য বাংলাদেশি রয়েছেন, যাদের দেশ গঠনে ভূমিকা রাখার জন্য সম্মানের সঙ্গে ডেকে এনে কাজে লাগানো যেতে পারে। বিদেশের একাডেমিয়া ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনে কর্মরত অনেক দেশপ্রেমিক বাংলাদেশি আছেন, যারা সুযোগ ও সম্মান দিয়ে ডাকলে দেশ গঠনে যোগ দিতে রাজি হবেন। সবকিছু মিলিয়ে, তারেক রহমানের সরকার সবার সহযোগিতা নিয়ে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করলে অপার সম্ভাবনাময় বাংলাদেশকে ক্রমান্বয়ে উন্নত দেশে রূপান্তরিত করা অসম্ভব হবে না।

লেখক: সাবেক উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন