মহান স্বাধীনতার পর প্রতিষ্ঠিত দেশের প্রথম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে আমার দেশ পত্রিকার ‘পাঠকমেলা’র প্রথম মতবিনিময় ও আড্ডা। প্রাণবন্ত এই আয়োজনে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা অনুভব করেন গর্ব ও আনন্দ। তারা আমার দেশ ও পাঠকমেলাকে ভবিষ্যতের আলোকবর্তিকা হিসেবে দেখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রুহুল আমিন। তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের বৈষম্যবিরোধী চেতনা ও শক্তিতে আমাদের বলীয়ান হতে হবে। প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের আগ্রাসন ও হেজেমনির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা জরুরি। আমার দেশ-এর নির্ভীক ও সত্যনিষ্ঠ সংবাদ এবং মহান স্বাধীনতার প্রতিচ্ছবি আমাদের হৃদয়ে লালন করতে হবে।’
পাঠকমেলার সদস্য সজীব হোসেন বলেন, ‘আমার দেশ-এর পাঠকমেলা শুধু একটি পত্রিকা নয়, এটি দেশপ্রেমী ও সচেতন পাঠকদের মিলনমেলা। এই মেলা নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখায়, যেখানে জ্ঞান ও চিন্তার চর্চার মধ্য দিয়ে একটি প্রগতিশীল জাতি গঠিত হয়।’ তিনি আরো জানান, ‘সাহিত্যের প্রতি নতুন প্রজন্মের ভালোবাসা উন্নত বাংলাদেশের ভিত্তি রচনা করবে। আসুন, আমরা সবাই মিলে জ্ঞানালোকে আলোকিত এক নতুন বাংলাদেশ নির্মাণে কাজ করি।’
সভায় আরেক সদস্য তানভীর ইশরাক বলেন, ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতার পর এই বিশ্বজয়ের যাত্রায় এবং নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে পাঠকমেলা অসামান্য ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি। লেখক-পাঠকের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করবে পাঠকমেলা। শুধু লেখকদের নয়, পাঠকরাও কী ভাবছেন, তাও প্রতিফলিত হবে এই প্ল্যাটফর্মে।’
এ বিষয়ে মত প্রকাশ করেন পাঠকমেলার আরেক সদস্য সাকীফ বিন আলম। তিনি বলেন, ‘আমার দেশ পাঠকমেলাকে কেন্দ্র করে তরুণদের মধ্যে জ্ঞানচর্চা, দেশপ্রেম ও সৃজনশীলতার সংযোগ ঘটানো যাবে, যা বাংলাদেশকে একটি জ্ঞানভিত্তিক, অসাম্প্রদায়িক ও উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। এটি হবে একটি মতবিনিময়ের মঞ্চ, যেখানে জন্ম নেবে দেশগঠনের ভাবনা।’
এই আয়োজন পাঠকদের মেলবন্ধন তৈরির এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

