বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, শাপলা চত্বরের আত্মত্যাগ ও ত্যাগের বুনিয়াদের উপর দাঁড়িয়েই জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে। এ গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য ও চেতনা পূর্ণ বাস্তবায়নের মাধ্যমেই আগামীর বাংলাদেশ পুনর্গঠন সম্ভব।
তিনি বলেন, যারা চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সাথে গাদ্দারি করতে চায়, তারা মূলত শাপলার চেতনাকেও অস্বীকার করতে চায়। শাপলার চেতনাকে অস্বীকারকারীরাই জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে অকার্যকর করতে তৎপর।
বৃহস্পতিবার শাপলা স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর এবং ২০২১ সালের মোদী বিরোধী আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহতদের সম্মানে রাজধানীর রাহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্সের হোটেল সেন্ট্রাল ইন মিলনায়তনে ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
সভাপতির বক্তব্যে শাপলা স্মৃতি সংসদের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আল্লামা মামুনুল হক আরো বলেন, শহীদ পরিবারকে জাতীয়ভাবে যেভাবে সহযোগিতা করা দরকার ছিল সে ক্ষেত্রে অনেক গাফিলতি হয়েছে। শহীদ পরিবারগুলো যে পরিমাণ কষ্ট ও দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে দিন পার করেছে তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। এজন্য একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে তিনি সকলের পক্ষ থেকে শহীদ পরিবারগুলোর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা মাহফুজুল হক, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া এবং সংসদের নির্বাহী সভাপতি মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী।
সংসদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা কামাল উদ্দীন ও মাওলানা আল আবিদ শাকেরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন— হাবের ভাইস চেয়ারম্যান হাফেজ নূর মোহাম্মদ, শাপলা গার্ডিয়ান রস ফোরামের সদস্য মুফতি মামুনুর রশীদ কাসেমী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মোর্শিদুল আলম সিদ্দিকী, হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর আমিরুল ইসলাম, শাপলা স্মৃতি সংসদের সহ-সভাপতি মাওলানা এহসানুল হক এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক বিএম সাবাব প্রমুখ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

