সাংবাদিকদের সত্য প্রকাশে সব সময় সাহসী ও আপসহীন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে গিয়াস কামাল চৌধুরীর মতো সাহসী সাংবাদিকদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে বরেণ্য সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরীর স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় গিয়াস কামাল চৌধুরীর পরিবেশিত সংবাদ আমাদের আশার আলো দেখাত। তখন আমরা বিবিসি ও ভয়েস অব আমেরিকার সংবাদ শুনতাম। ভয়েস অব আমেরিকায় তার খবর প্রচার আমাদের দারুণ সাহস জুগিয়েছিল। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের কঠিন সময়েও গিয়াস কামাল চৌধুরী নানা চাপের মুখে দেশের জন্য কাজ করেছেন। তার মতো সাহসী সাংবাদিকেরা ছিলেন বলেই বিভিন্ন সময়ে ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সফলতা এসেছে।’
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা আরো বলেন, ‘বিএনপি গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। তবে দেশের ভাবমূর্তি রক্ষায় গণমাধ্যমকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরী স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সব সময় সোচ্চার ছিলেন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বিদেশে বাংলাদেশিদের সুনাম প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি শ্রমিকদের সুনাম রয়েছে। তাদের পরিশ্রম ও কর্মদক্ষতার উচ্চ প্রশংসা করেন বিদেশিরা। বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি ধরে রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।
স্মরণসভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তির উত্থানে গিয়াস কামাল চৌধুরী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। সত্য প্রকাশে তিনি ছিলেন আপসহীন।
বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সমিতির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ মাসুমের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় আরো বক্তব্য দেন দৈনিক যুগান্তর সম্পাদক কবি আব্দুল হাই শিকদার, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম, সহসভাপতি রাশেদুল হক প্রমুখ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


