ত্রয়োদশ সংসদ আগামী বছর এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
এপ্রিলে নির্বাচন: বিএনপির অবস্থান কী হবে এমন প্রশ্নে মির্জা ফখরুল বলেন, 'দেখুন, এই ব্যাপারে আমরা পার্টিগতভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি। আমরা আশা করছি যে, সরকারের একটা বিবেচনা করতে… কিছুটা বলা যেতে পারে বাস্তবতার প্রেক্ষিতেই তারা বিবেচনা করবেন। সময়টা (এপ্রিল) তো ঠিক না। আমি প্রথম দিন বলেছি, টাইম ইজ নট গুড ফর ইলেকশন। এপ্রিল মাস আপনার রোজার মাস, রোজ শেষ হবে, ঈদ শেষ হবে… এর কয়েকদিন পরে নির্বাচন। আপনি ভাবেন, রোজার মাসটায় প্রার্থীদের কী অবস্থা হবে… রাজনৈতিক কর্মীদের কী অবস্থা হবে? আমি নিজেই এখন চিন্তিত যে, প্রত্যেকদিন আমাকে ইফতার পার্টি করতে হবে। ইটস নো জোক… এটা বিরাট ব্যাপার… প্রার্থীদের ব্যয় দ্বিগুণ হয়ে যাবে এবং এই ক্ষেত্রে আমরা চিৎকার করি, অর্থ ব্যয় কমাতে হবে। ওই সময় হলে তো ব্যয় বাড়বে।'
বাংলাদেশে সব সময় ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসের মধ্যে নির্বাচন হয়েছে বলে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, 'দুই বার এর বাইরে গেছে। সেই নির্বাচনে ঝামেলা হয়েছে। এখানে অনেকে আমাকে ভুল বুঝবেন যে, আমরা সংস্কার চাই না, নির্বাচন চাই। এটা একটি প্রোপাগান্ডা। আমরা অনেক আগে সংস্কারের কথা বলেছি। বলেছি, এই ব্যবস্থা চলবে না। সেই কারণে অনেকের সঙ্গে পরামর্শ করে ম্যাডামকে (খালেদা জিয়া) নিয়ে দিয়েছিলাম ভিশন ২০২৩। তারপর দিনের পর দিন আলোচনা করে ৩১ দফা দিয়েছি।'
সংস্কার প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন,'তবুও আমি মনে করি, নির্বাচন বেশি প্রয়োজন। অনেকে আবার আমাকে ভুল বুঝবেন, সংস্কার চাই না, নির্বাচন চাই… এই যে একটা আমাদের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা অপপ্রচার… এর কোনো যুক্তি নাই। আমরা তো বহু আগে সংস্কারের কথা বলেছি… বহু আগে বলেছি যে, এই ব্যবস্থা চলবে না। সেই ব্যবস্থা পরিবর্তনে আমরা ম্যাডাম খালেদা জিয়া এই রুমে বসে ভিশন-২০৩০ তৈরি করেছি ৭/৮ ধরে আলোচনার মাধ্যমে। তারপরে আমরা ২৭ দফা দিয়েছিলাম এবং সব শেষে যুগপৎ আন্দোলনের রাজনৈতিক শরিকদের সাথে কথা বলে ৩১ দফা দিয়েছি।'
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

