১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং পয়েন্ট বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান। তিনি বলেছেন, তৎকালীন একদলীয় শাসনব্যবস্থা, দুর্নীতি, লুটপাট ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে সিপাহি, ছাত্র, শ্রমিক ও জনতার সম্মিলিত ভূমিকার মধ্য দিয়ে দেশে দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক শক্তির উত্থানের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছিল।
শনিবার বিকেলে শহীদ আউয়াল-নাঈম মিলনায়তনে বাংলাদেশ লেবার পার্টি ঢাকা মহানগর শাখা আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. ইরান আরও বলেন, আধিপত্যবাদী শক্তির প্রভাবমুক্ত স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার তীব্র আকাঙ্ক্ষাই এই বিপ্লবকে ঐতিহাসিক তাৎপর্য দিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধপরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের ওপর বহিরাগত আধিপত্য বিস্তারের প্রচেষ্টা ছিল আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। এ সময় তিনি পানি আগ্রাসন, সীমান্ত হত্যা ও সাংস্কৃতিক আধিপত্যের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ঢাকা মহানগর লেবার পার্টির আহ্বায়ক এস এম ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলামের পরিচালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন লেবার পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জোহরা খাতুন জুঁই, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব খন্দকার মিরাজুল ইসলাম, বিশিষ্ট গবেষক সাদেক আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফেরদাউস আলম, মহিলা সম্পাদিকা নাসিমা নাজনীন সরকার, ঢাকা মহানগর যুগ্ম আহ্বায়ক আহমেদ হাসান হাফিজ, লেবার পার্টির আহ্বায়ক সৈয়দ মো. মিলন, যুবমিশন যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক সজিব, নারীনেত্রী জুমা চৌধুরী, পল্টন থানা সভাপতি দেলোয়ার হোসেন রিপন, কামরাঙ্গীরচর থানা যুগ্ম আহ্বায়ক মিসেস সাবলিল ইসলাম স্বপ্না এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মো. মিঠুনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


