আসিয়ান কাপ দল থেকে বাদ

কোচের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানান কাজেম

কোচের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানান কাজেম

ফিফা আসিয়ান কাপ সামনে রেখে দল থেকে ছয় ফুটবলারকে বাদ দেন বাংলাদেশের প্রধান কোচ থমাস ডুলি। বাদপড়া ফুটবলারদের অন্যতম একজন হলেন সৈয়দ কাজেশ শাহ। দল থেকে ছিটকে গেলেও কোচের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানালেন কাজেম। তিনি বলেন, ‘এই ক্যাম্প অনেকটা প্রি-সিজনের মতো ছিল। দুইবেলা ট্রেনিং হয়েছে, কঠিন অনুশীলন হয়েছে। এখন ক্যাম্পে নেই বলে অবশ্যই কিছুটা হতাশ। কিন্তু একজন পেশাদার হিসেবে আমাকে এটা মেনে নিতেই হবে। আমি কোচের সিদ্ধান্তকে সম্মান করি এবং এখন সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’

আগের কোচ হ্যাভিয়ের কাবরেরার সময় বাংলাদেশ জাতীয় দলে ছিলেন কাজেম। এবার কোচ ডুলির অধীনে ক্যাম্প করেছেন। দুই কোচেরই প্রশংসা ঝরেছে হাজেমের কণ্ঠে, ‘মানুষ হিসেবে দুজনই ভালো। দুজনের সঙ্গেই আমার ভালো সম্পর্ক ছিল। হয়তো সব সময় তাদের পরিকল্পনায় আমি খেলার জন্য ছিলাম না। কিন্তু ব্যক্তি হিসেবে আমি তাদের সম্মান করি।’ কাজেমকে আরো উন্নতি করার পরামর্শ দিয়েছেন কোচ ডুলি। কাজেম বলেন, ‘কোচের সঙ্গে কথা হয়েছে, আমাকে কোন কোন জায়গায় উন্নতি করতে হবে, সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমি তার মতামতকে সম্মান করি। প্রত্যেক কোচেরই নিজস্ব মতামত থাকে। আমি এগুলো নিয়ে কাজ করব, আরো উন্নতি করার চেষ্টা করব। এরপর দেখা যাক কী হয়।’

বিজ্ঞাপন

বাদ পড়লেও দলের ভালো পারফরম্যান্স দেখতে চান কাজেম। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আমরা ভালো করতে পারব। আমাদের ভালো একটি স্কোয়াড আছে। ভালো খেলোয়াড়রা আসছে, স্থানীয় খেলোয়াড়রাও ভালো আছে।’ দলের বাইরে চলে গেলেও জাতীয় দলের দরজা নিজের জন্য বন্ধ দেখছেন না কাজেম। তিনি বলেন, ‘আমার স্বপ্ন এখনো জাতীয় দলে খেলা। সবকিছু হয়তো আমার মনের মতো হচ্ছে না; কিন্তু আমি কখনো হাল ছাড়ব না। আবার নিজেকে প্রমাণ করতে হবে। কোচ আমাকে যা বলেছেন, যেসব জায়গায় উন্নতি করতে হবেÑসেগুলোতে কাজ করব। আশা করি সাফের সময় আবার ইনশাল্লাহ দলে থাকতে পারব।’ ঘরোয়া ফুটবলের নতুন মৌসুমে বসুন্ধরা কিংসের হয়ে খেলবেন কাজেম।

তিনি বলেন, ‘এবার শিরোপা জেতাই আমার আকাঙ্ক্ষা। পাশাপাশি একজন খেলোয়াড় হিসেবে আরো ভালো হতে চাই।’

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন