অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক জনগণের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
মঙ্গলবার বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে বাংলা একাডেমির সভাপতি, প্রাবন্ধিক ও বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের প্রয়াণ-উত্তর শ্রদ্ধা নিবেদন ও পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক একজন মহান শিক্ষক। তিনি দেশের শ্রমিক, কৃষক ও মেহনতি মানুষের মুক্তি কামনা করেছেন সবসময়। তিনি জনগণের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন।
স্বাগত বক্তব্যে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক শ্রদ্ধা ও সম্ভ্রমের আসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তাঁর প্রধান পরিচয়, তিনি একজন উদারনৈতিক মানবতাবাদী বুদ্ধিজীবী। দেশ ও জাতির কল্যাণভাবনা তাঁর সামগ্রিক মননে ও চিন্তায় আজীবন প্রাধান্য বিস্তার করেছিল।
গবেষক অধ্যাপক শুচিতা শরমিন বলেন, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের নিজস্ব চিন্তা-ভাবনার জগৎ ছিল। নিজের দর্শনকে তিনি লেখার মাধ্যমে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছেন। লেখার মধ্য দিয়েই তিনি দেশপ্রেমকে জাগ্রত রেখেছেন।
সভাপতির বক্তব্যে ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক অধ্যাপক মনসুর মুসা বলেন, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ছিলেন একজন অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তচিন্তার মানুষ। এটাই ছিল তাঁর আজীবনের আদর্শ। তাঁর স্মৃতিগুলো আমাদের সংরক্ষণ করতে হবে। তার চিন্তাচেতনা, বিশ্বাস, জীবনবোধ ও কর্ম আমাদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
বাংলা একাডেমির উপপরিচালক সায়েরা হাবীবের সঞ্চালনায় আলোচনায় আরো অংশগ্রহণ করেন প্রাবন্ধিক ও গবেষক অধ্যাপক মোরশেদ শফিউল হাসান, প্রাবন্ধিক ও গবেষক অধ্যাপক সৈয়দ আজিজুল হক, প্রাবন্ধিক ও গবেষক অধ্যাপক মাহবুব বোরহান, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক আফজালুল বাসার প্রমুখ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


