জিয়ার আদর্শ ধারণ করেই বিএনপির পথচলা অব্যাহত থাকবে: মির্জা ফখরুল

আমার দেশ অনলাইন
আমার দেশ অনলাইন

জিয়ার আদর্শ ধারণ করেই বিএনপির পথচলা অব্যাহত থাকবে: মির্জা ফখরুল

বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করেই দল সামনে এগোবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (২৯ মে) জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ রাষ্ট্র পরিচালনায় বিশ্বাসী। পাশাপাশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় দল কাজ করে যাবে। তিনি মনে করেন, টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো শক্তিশালী করা জরুরি।

তিনি আরো বলেন, দেশের বিভিন্ন সংকট ও সংগ্রামের সময়ে শহীদ জিয়ার আদর্শই জাতীয়তাবাদী শক্তির মূল প্রেরণা। জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

আগামী ৩০ মে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বলেও জানান বিএনপি মহাসচিব।

বিবৃতিতে জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক ও কর্মজীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, মুক্তিযুদ্ধের একজন সাহসী যোদ্ধা ও রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তিনি দেশের মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী স্থান করে নিয়েছেন। তার জনপ্রিয়তা দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের অস্বস্তিতে ফেলেছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার দাবি, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দেশ একজন দেশপ্রেমিক নেতাকে হারায়।

তিনি বলেন, কোনো মহান নেতাকে হত্যা করলেই তার আদর্শ মুছে যায় না; বরং জনগণের মনে তা আরো গভীরভাবে স্থান পায়। বেগম খালেদা জিয়াও শহীদ জিয়ার দেখানো পথ ধরে বহুদলীয় গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের শাসনামল নিয়ে সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে ভয়ভীতি, দমন-পীড়ন, গুম ও নির্যাতনের মাধ্যমে জনগণের অধিকার খর্ব করা হয়েছিল। একই সঙ্গে দেশের অর্থনীতি দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে ছাত্র-জনতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটে। তিনি বলেন, জনগণের সেই আন্দোলনের অর্জনকে পূর্ণতা দিতে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এআরবি

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন