কক্সবাজারের উখিয়ায় হত্যাচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রকাশ্যে থানার সামনে ঘুরে বেড়ালেও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে মামলার তদন্ত চলাকালেই দ্বিতীয় দফায় হামলা চালিয়ে বসতবাড়ি দখল ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটলেও পুলিশ আসামিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।
ভুক্তভোগী মো. ইসলাম অভিযোগ করেন, গত ১ জুন সন্ধ্যায় উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের তুলাতলী পাড়া সড়কের ব্রিজের ওপর তার ওপর পূর্বপরিকল্পিত হামলা চালানো হয়। ১ নম্বর আসামি রফিকুল ইসলাম চাইনিজ কুড়াল দিয়ে মো. ইসলামের মাথায় কোপ মেরে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করেন এবং অন্য আসামিরা রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করেন। এ ঘটনায় রফিকুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও চার-পাঁচজনের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় মামলা করা হয়।
মামলার বাদী আক্ষেপ করে বলেন, আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার না করায় তারা দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় পুনরায় হামলা চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ শুধু ঘটনাস্থল পরিদর্শনেই সীমাবদ্ধ থাকে। উল্টো তদন্ত কর্মকর্তা এসআই উনুমং মারমা ভুক্তভোগীকে আদালতে গিয়ে নতুন মামলা করার পরামর্শ দেন। বর্তমানে এজাহারভুক্ত প্রধান আসামিকে বাঁচাতেই চার্জশিট থেকে তার নাম বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত চলছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
১ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার না করার কারণ জানতে চাইলে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই উনুমং মারমা বলেন, দ্বিতীয় দফা হামলার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও আসামিদের পাওয়া যায়নি। বর্তমানে স্থানীয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চলছে এবং মামলার তদন্তও অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে উখিয়া থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান মজুমদার জানান, সীমিত জনবল সত্ত্বেও পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য তদন্ত কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
জেডএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

