ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়ন নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন শিবিরের কয়েকজন সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি। তারা হলেন..
সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের
১৯৮৬ ও ১৯৮৭ সালে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি ছিলেন সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের। এর আগে ১৯৮৫ সালে তিনি সংগঠনটির সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির। এবারের নির্বাচনে কুমিল্লা-১১ আসনে (চৌদ্দগ্রাম) দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।
সাইফুল আলম মিলন
ঢাকা-১২ সংসদীয় আসনে জামায়াতের প্রার্থী ছিলেন দলের নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. সাইফুল আলম। তিনি ১৯৮৩ সালে শিবিরের সভাপতি ছিলেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।
রফিকুল ইসলাম খান
ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম খান এখন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল। তিনি ১৯৯৪ ও ১৯৯৫ সালে ছাত্রশিবিরের সভাপতি ছিলেন। রফিকুল ইসলাম খান এবার সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ।
নূরুল ইসলাম বুলবুল
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল। তিনি ২০০১ ও ২০০২ সালে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন। নূরুল ইসলাম বুলবুল এখন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি ।
শফিকুল ইসলাম মাসুদ
২০০৬ ও ২০০৭ সালে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। পটুয়াখালী-২ আসনের এমপি নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আইউবী
তিনি গাজীপুর-৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন । । তিনি ২০২১ সালে শিবিরের সভাপতি ছিলেন। ২০২০ সালে ছিলেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন।
হাফেজ রাশেদুল ইসলাম
রাশেদুল ইসলামকে শেরপুর–১ আসনে প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন । । তিনি ২০২২ সালে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগের বছর তিনি সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

