আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ইন্তেকালের পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তখনকার পরিস্থিতি এবং নিজের মানসিক অবস্থা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্মৃতিচারণমূলক পোস্ট শেয়ার করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার। সে সময় ক্যাম্পাসে প্রথম বর্ষের এই শিক্ষার্থী একটি গান লিখেছিলেন, যা নিয়ে পরবর্তীতে তাকে বিভিন্ন মহলের চাপ ও হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল।
আম্মার লেখেন, ‘আল্লামা সাঈদী মারা যাওয়ার পর গোটা দেশের মতো রাজশাহীতে থমথমে অবস্থা। ক্যাম্পাসে আমি তখন মাত্র প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর মৃত্যুর খবর শুনে আম্মু-আব্বুকে আগে কল দিলাম, তাঁরা স্তব্ধ হয়ে রইলেন। নিজেকে কোনোভাবেই স্বাভাবিক করতে পারছিলাম না।’
‘আমার এখনো মনে আছে—এই গানটা যতক্ষণে লিখেছিলাম, ততক্ষণে লেখার খাতাটা চোখের পানিতে ভিজে গিয়েছিল। তারপর সুর দিলাম ‘
রাকসুর জিএস লেখেন, ‘এত ভালো গাইতে পারি না কিন্তু এই গানটা গেয়ে ওই রাতে ছাড়ার পর ছাত্রলীগ ক্ষিপ্ত হয় এবং আমার বিভিন্ন সিনিয়র ভাইয়েরা আমাকে ফোন দিয়ে ডিলিট করতে বলেন। কারণ, ছাত্রলীগ তাদের থেকে আমার নম্বর নিয়েছে। এরপর মিনিমাম ৫০টা কল আসে,আমি ডিলিট করিনি।’
পরিশেষে, আল্লামা সাঈদীর রুহের মাগফিরাত কামনা করে এবং তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করার জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া জানিয়ে স্ট্যাটাস শেষ করেন সালাহউদ্দিন আম্মার।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


