মওদূদীবাদ বলে দুনিয়ায় কোনো মতবাদ নেই: অ্যাডভোকেট জুবায়ের

স্টাফ রিপোর্টার

মওদূদীবাদ বলে দুনিয়ায় কোনো মতবাদ নেই: অ্যাডভোকেট জুবায়ের
ফাইল ছবি

দুনিয়াতে ‘মওদূদীবাদ’ বলে কোনো মতবাদ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

তিনি বলেন, এটা একটি বিশেষ মহলের জামায়াত বিরোধিতার জন্য তৈরি ন্যারেটিভ ছাড়া আর কিছু নয়। বরং বাস্তবতা হলো জামায়াতে ইসলামী, ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা, নীতি ও স্পিরিটকে ধারণ করে। জামায়াত সবসময় সলফে-সালেহীনদের পথ অনুসরণ করে এবং একইভাবে তার নেতাকর্মীদেরও ইসলামের বিধিবিধান অনুসরণে উদ্বুদ্ধ করে থাকে।

বিজ্ঞাপন

শনিবার একটি জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকীয় বিভাগে ‘শিক্ষা খাতকে জামায়াতমুক্ত করতে হবে’ শিরোনামে খবর ছাপানোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট জুবায়ের আরো বলেন, দেশের গণমাধ্যমগুলো নাগরিকদের মৌলিক মানবাধিকার অক্ষুণ্ন রেখে নিজস্ব সম্পাদকীয় নীতি অবলম্বন করে সত্য তথ্য জনগণের কাছে তুলে ধরার কাজ করবে এমনটাই প্রত্যাশা। কিন্তু, কোনো পত্রিকা বিশেষ কোনো গোষ্ঠীর উদ্দেশ্য সাধন কিংবা কোনো দলের ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করবে, অন্য দল নিয়ে ভ্রান্ত সংবাদ প্রকাশ করবে- তা অপ্রত্যাশিত ও অগ্রহণযোগ্য। তিনি পত্রিকাটিতে ‘শিক্ষা খাতকে জামায়াতমুক্ত করতে হবে’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আখ্যা দিয়ে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। এতে পত্রিকার সম্পাদকীয় নীতি জাতির কাছে প্রশ্নবিদ্ধ ও ন্যক্কারজনক হিসেবে উন্মোচিত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অ্যাডভোকেট জুবায়ের আরো বলেন, জামায়াত সবসময় দেশের ও জাতির কল্যাণের শিক্ষাব্যবস্থায় বিশ্বাসী। শিক্ষাখাতকে কল্যাণমুখী করতে সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শ দিতে জামায়াত সবসময় কাজ করে আসছে। সম্প্রতি বিরোধী দলের কয়েকজন সংসদ সদস্য জামায়াতের শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস ও পরামর্শ দিয়েছেন। সুতরাং, শিক্ষাখাতে বিশৃঙ্খলা, দখলবাজিসহ কোনো প্রকার বিশেষ মত প্রতিষ্ঠার সুযোগে বিশ্বাস করে না জামায়াত। এমনকি শিক্ষাঙ্গনগুলো নিজস্ব প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং বোর্ডের নির্দেশনায় পরিচালিত হয়। সেখানে বিশেষ মত প্রতিষ্ঠার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি আরো বলেন, প্রকাশিত সম্পাদকীয়তে বিভিন্ন মাজহাবের অনুসারীদের মধ্যে অত্যন্ত সুকৌশলে বিভেদ, বিদ্বেষ ও বিতর্ক সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে। সত্যি ব্যাপার হলো জামায়াত সকল মাযহাবের অনুসারীদের প্রতি সম্মান দেখায়, কাউকে খাটো করে না- যা নেতাকর্মীদের দিকে তাকালে স্পষ্ট হয়। জামায়াত মনে করে, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এমন হবে- যাতে সকল মানুষ তার বোধ-বিশ্বাস লালন করার পাশাপাশি দক্ষ ও যোগ্য হয়ে নিজেকে গড়ে তুলবে এবং জাতির কল্যাণে নিজেকে আত্মনিয়োগ করার সুযোগ পাবে। লেখাপড়া শেষে কেউ বেকার থাকবেন না, কর্মমুখী হবেন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...