দুর্দান্ত খেলে যাচ্ছেন বৈভব সূর্যবংশী। ইংল্যান্ড সফরের যুব ওয়ানডে সিরিজে পাঁচ ইনিংসে ৭১ গড়ে করেছেন ৩৫৫ রান। তার স্ট্রাইক রেট ১৭৪.০১। ছক্কা ২৯টি! এমন দাপুটে পারফরম্যান্সে ইংল্যান্ড সফরে হইচই ফেলে দিয়েছেন এ মেধাবী ক্রিকেটার। তার পারফরম্যান্সে বিস্মিত ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) বিশ্লেষক এবং পরিসংখ্যানবিদ ড্যানিয়েল পিকক।
পিকক ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের এ ক্রিকেটারের পারফরম্যান্সে এতটাই মুগ্ধ যে, সূর্যবংশীকে দেখছেন শচীন টেন্ডুলকার-বিরাট কোহলির লেভেলের ভবিষ্যৎ ক্রিকেটারের হিসেবে। এমন কি শচীন-কোহলিকেও ছাড়িয়ে যেতে পারেন। এমন ভবিষ্যদ্বাণীই করেছেন পিকক, ‘আমি যাদের সঙ্গে কথা বলেছি, মনে হয় তাদের সবার অনুভূতি এক। আমরা একজন উদীয়মান তারকাকে তৈরি হতে দেখছি, যা সত্যিই বিশেষ ব্যাপার। যে কোনো খেলায় সে-ই সম্ভবত আমার দেখা সেরা ১৪ বছর বয়সি খেলোয়াড়। ইংল্যান্ডের ক্রিকেটপ্রেমীদের অনুভূতি হলো, তারা একজন বিশেষ তরুণকে ক্রিকেট খেলতে দেখছে এবং তার কাছে প্রত্যাশা টেন্ডুলকার-কোহলির স্তরের, অথবা আরো বেশি।’
তিনি ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের এ ক্রিকেটারের পারফরম্যান্সে এতটাই মুগ্ধ যে, সূর্যবংশীকে দেখছেন শচীন টেন্ডুলকার-বিরাট কোহলির লেভেলের ভবিষ্যৎ ক্রিকেটারের হিসেবে। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে পিকক বলেছেন, ‘আমি যাদের সঙ্গে কথা বলেছি, মনে হয় তাদের সবার অনুভূতি এক। আমরা একজন উদীয়মান তারকাকে তৈরি হতে দেখছি, যা সত্যিই বিশেষ ব্যাপার। যে কোনো খেলায় সে-ই সম্ভবত আমার দেখা সেরা ১৪ বছর বয়সি খেলোয়াড়। ইংল্যান্ডের ক্রিকেটপ্রেমীদের অনুভূতি হলো, তারা একজন বিশেষ তরুণকে ক্রিকেট খেলতে দেখছে এবং তার কাছে প্রত্যাশা টেন্ডুলকার-কোহলির স্তরের, অথবা আরো বেশি।’
আমরা একজন উদীয়মান তারকাকে তৈরি হতে দেখছি, যা সত্যিই বিশেষ ব্যাপার। যে কোনো খেলায় সে-ই সম্ভবত আমার দেখা সেরা ১৪ বছর বয়সি খেলোয়াড়। ইংল্যান্ডের ক্রিকেটপ্রেমীদের অনুভূতি হলো, তারা একজন বিশেষ তরুণকে ক্রিকেট খেলতে দেখছে এবং তার কাছে প্রত্যাশা টেন্ডুলকার-কোহলির স্তরের, অথবা আরো বেশি।’
আমরা একজন উদীয়মান তারকাকে তৈরি হতে দেখছি, যা সত্যিই বিশেষ ব্যাপার। যে কোনো খেলায় সে-ই সম্ভবত আমার দেখা সেরা ১৪ বছর বয়সি খেলোয়াড়। ইংল্যান্ডের ক্রিকেটপ্রেমীদের অনুভূতি হলো, তারা একজন বিশেষ তরুণকে ক্রিকেট খেলতে দেখছে এবং তার কাছে প্রত্যাশা টেন্ডুলকার-কোহলির স্তরের, অথবা আরো বেশি।’আমরা একজন উদীয়মান তারকাকে তৈরি হতে দেখছি, যা সত্যিই বিশেষ ব্যাপার। যে কোনো খেলায় সে-ই সম্ভবত আমার দেখা সেরা ১৪ বছর বয়সি খেলোয়াড়। ইংল্যান্ডের ক্রিকেটপ্রেমীদের অনুভূতি হলো, তারা একজন বিশেষ তরুণকে ক্রিকেট খেলতে দেখছে এবং তার কাছে প্রত্যাশা টেন্ডুলকার-কোহলির স্তরের, অথবা আরো বেশি।’
সূর্যবংশীকে ঘিরে ইংল্যান্ড প্রবাসী ভারতীয়দের মধ্যে চলছে উন্মাদনা। তেমনটা জানিয়ে পিকক বলেন, ‘মানুষ এখানে তাকে নিয়ে হইচই শুরু করেছে। ভক্তরা জানে যে সে কে। যদিও সবাই তার নাম উচ্চারণ করতে পারে না। সংবাদমাধ্যমের মনোযোগ কিছুটা বেশি ছিল। আমরা বিবিসি, দ্য অ্যাথলেটিক, গেটি ইত্যাদির মিডিয়ার কাভারেজ পেয়েছি। অনেক ব্রিটিশ-ভারতীয় প্রথমবারের মতো তার খেলা দেখতে এসেছে।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

