জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়কদের এক ছাতার নিচে দেখা যাওয়ার ঘটনা বেশ দুর্লভ। সেই দুর্লভ কাজটিই করেছেন বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ। দেশে থাকা জাতীয় দলের প্রায় সব সাবেক অধিনায়ককে নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন। সেখানে বিপিএলের পাশাপাশি এনসিএল ও অন্যান্য ঘরোয়া টুর্নামেন্টের মান কীভাবে বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে মতামত নিয়েছেন সাবেক অধিনায়কদের কাছ থেকে। ফারুক নিজেও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ছিলেন।
গতকাল দুপুরে মিরপুরে বিসিবি কার্যালয়ে সাবেক অধিনায়কদের সঙ্গে বিসিবিপ্রধানের ওই সভা হয়। সেখানে জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দেওয়া লিটন দাস-মমিনুল হকের পাশাপাশি হাবিবুল বাশার সুমন, শাহরিয়ার নাফিস, গাজী আশরাফ হোসেন লিপু, মিনহাজুল আবেদীন নান্নু, রাজিন সালেহ, আকরাম খান, মোহাম্মদ আশরাফুলরা উপস্থিত ছিলেন। দেশে থাকলেও বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় মাশরাফি বিন মুর্তজা, নাঈমুর রহমান দুর্জয় ও সাকিব আল হাসানকে এ বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। দেশের বাইরে থাকায় সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল এ সভায় ছিলেন না।
সাবেক অধিনায়কদের সঙ্গে বৈঠকে বিপিএলের সময়সূচি এগিয়ে আনার ব্যাপারে মতামত নেয় বিসিবি। এছাড়া এনসিএলে চার দিনের ম্যাচ টুর্নামেন্ট কীভাবে আরো বেশি ফলপ্রসূ করা যায়, সে ব্যাপারেও হয়েছে আলোচনা। এনসিএল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টকে কীভাবে আরও কার্যকরী করে তোলা যায়, সেগুলোও ছিল আলোচনার বিষয়বস্তু।
সভা শেষে সাবেক অধিনায়ক শাহরিয়ার নাফিস বলেন, ‘বিপিএল বা অন্যান্য ঘরোয়া টুর্নামেন্ট নিয়ে কথা হয়েছে। বোর্ড সভাপতি অধিনায়কদের সঙ্গে বিপিএল বা এসব টুর্নামেন্ট কীভাবে আরও উন্নতি আর আকর্ষণীয় করা যায়- সেটা নিয়ে কথা বলেছেন। অধিনায়করাও এ ব্যাপারে সুচিন্তিত মতামত ব্যক্ত করেছেন। আলোচনা ফলপ্রসূ ছিল।’
আরেক সাবেক অধিনায়ক রাজিন সালেহ বলেন, ‘আমাদের কথা ছিল বিপিএল কীভাবে আরো ডেভেলপ করা যায়, সূচিটা কীভাবে আপডেট করা যায়। এনসিএল টি-টোয়েন্টি কখন শুরু করলে আমরা পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারব টুর্নামেন্টটা। বিপিএলে আগামীতে যেন আরও ভালো ফ্র্যাঞ্চাইজি আসে, ভালো টুর্নামেন্ট কীভাবে হবে, ভালো বিদেশি ক্রিকেটাররা আসবে, কখন তাদের পাব- এসব নিয়ে কথা বলা হয়েছে।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

