তৃণমূল পর্যায় থেকে আগামীর বিশ্বমানের চ্যাম্পিয়ন ও আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ খুঁজে বের করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং ক্রীড়া পরিদপ্তরের সরাসরি ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত হতে যাচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’। আগামী ২ মে সিলেটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি দেশব্যাপী এই বিশাল ও সময়োপযোগী কর্মযজ্ঞের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। ৬৪টি জেলায় একযোগে সেটি বাস্তবায়িত হবে।
একটি দেশের ক্রীড়া কাঠামোর মূল ভিত্তি এবং প্রাণশক্তি হলো তার তৃণমূল পর্যায়। এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশব্যাপী ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের মধ্য থেকে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, দাবা, মার্শাল আর্ট, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার ও অ্যাথলেটিক্স ইভেন্ট হতে প্রতিভাবানদের বাছাই করা হবে। মেধা যাচাইয়ের এই প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নিখুঁত করতে উপজেলা পর্যায় থেকে শুরু করে জেলা, বিভাগ এবং চূড়ান্তভাবে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতার স্তর নির্ধারণ করা হয়েছে।
দেশের ৬৪টি জেলা এবং ৪৯৫টি উপজেলায় একই সাথে এত বিশাল একটি কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়ন করা নিঃসন্দেহে একটি বিশাল লজিস্টিক ও সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ। তবে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এবং নিবেদিতপ্রাণ জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তাগণের নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতার মাধ্যমে সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস শতভাগ বাস্তবায়ন করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ সরকার।
স্কুল পর্যায়ে চতুর্থ শ্রেণি থেকেই খেলাধুলাকে পাঠ্যবইয়ের সাথে বাধ্যতামূলক করার যে উদ্যোগ সরকার নিয়েছে, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ তার প্রথম সরাসরি ও বাস্তব প্রয়োগ। বাছাইকৃত এই প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের সরকারি সম্পূর্ণ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি ও উন্নত প্রশিক্ষণ, ক্রীড়া বৃত্তি এবং বিকেএসপিতে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে ভবিষ্যতের পেশাদার ক্রীড়াবিদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
এই কর্মসূচির সফল ও নিখুঁত বাস্তবায়নের ওপরই নির্ভর করছে আগামী দিনে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ক্রীড়ার ভবিষ্যৎ সাফল্য।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

