ইংল্যান্ড সফরে ম্যাচ বাড়ানোর চেষ্টা করছে বিসিবি

ইংল্যান্ড সফরে ম্যাচ বাড়ানোর চেষ্টা করছে বিসিবি

লম্বা সময় পর ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে সিরিজটি হবে কেবল ১ ম্যাচের। ১৭ বছর পর ইংল্যান্ডে টেস্ট ম্যাচ খেলার সুযোগ পাওয়া বাংলাদেশ এই সিরিজকে আরও দীর্ঘায়িত করতে চায়। এ বিষয়ে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফিস।

বিজ্ঞাপন

ইসিবির ২০২৭ সালের ঘরের মাঠের সূচি অনুযায়ী, ২৮ মে থেকে ১ জুন লর্ডসে বাংলাদেশের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টটি অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১৮ জুন টেস্ট সিরিজ শুরু হবে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া অ্যাশেজ সিরিজ। মাঝের এই সময়টিতে আরও ম্যাচ যোগ করার সযোগ দেখছে বিসিবি।

নাফিস বলেন, 'ইসিবির সঙ্গে আমাদের ইতিবাচক আলোচনা চলছে। একটি টেস্টের পাশাপাশিও অন্য কোনো ম্যাচ যোগ করা গেলে সফরটি আরও স্মরণীয় হয়ে উঠবে। তারা বিষয়টি বেশ ইতিবাচকভাবে দেখছে। আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে আমরা আশাবাদী, সফরটি কেবল একটি টেস্টেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।'

লর্ডসে বাংলাদেশের সর্বশেষ টেস্টটি হয়েছিল ২০১০ সালে। সেই ম্যাচে ইংল্যান্ড ৫ উইকেটে জিতেছিল। বাংলাদেশের হয়ে শাহাদাত হোসেন ও তামিম ইকবাল লর্ডসের অনার্স বোর্ডে নাম তুলেছিলেন। ২০২৭ সালের ম্যাচটি তাই দীর্ঘ বিরতির পর ঐতিহাসিক ভেন্যুটিতে বাংলাদেশের প্রত্যাবর্তনও হতে যাচ্ছে।

ইংল্যান্ড সফরের বাইরেও ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখেই প্রস্তুতিতে গুরুত্ব দিচ্ছে বিসিবি। বিশ্বকাপের আগের বছর দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ ‘এ’ দল ও এইচপি দলের সফর হয়েছে। এবার জাতীয় দলও সেখানে যাচ্ছে। একসঙ্গে তিন পর্যায়ের প্রায় ৬০ জন খেলোয়াড়ের দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশনে খেলার অভিজ্ঞতাকে বাড়তি সুবিধা হিসেবে দেখছেন নাফিস।

নাফিস বলেন, 'আমরা বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করেই সম্প্রতি ‘এ’ দলের সফরটি সম্পন্ন করেছি। আমাদের এইচপি দলও সেখানে গিয়েছিল। এখন বাংলাদেশ জাতীয় দল যাচ্ছে। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার আগের বছর তিনটি দলের প্রায় ৬০ জন খেলোয়াড় দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলে আসাটা নিশ্চিতভাবেই বাড়তি সুবিধা দেবে।'

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন