চোখ ধাঁধানো পারফরম্যান্স যাকে বলে, তার সবটাই উপহার দিয়েছেন জর্ডান কক্স। ভাইটালিটি ব্লাস্টে এসেক্সের হয়ে প্রতিপক্ষের বোলারদের রীতিমতো তুলাধুনা করে ছেড়েছেন এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিতেই করেছেন বাজিমাত। খেলেছেন ১৩৯* রানের হার না মানা বিধ্বংসী এক ইনিংস।
মারকুটে এ ব্যাটিং পারফরম্যান্সে রেকর্ডও গড়েছেন কক্স। ইংলিশ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান হিসেবে গড়েছেন সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলার কীর্তি।
আগের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটি ছিল ফিল সল্টের। ২০২৩ সালে ইংল্যান্ডের জার্সিতে খেলেছিলেন ১১৯ রানের দুরন্ত এক ইনিংস। তবে সব দেশ মিলিয়ে কক্সের চেয়ে বড় ইনিংস খেলেছেন পাঁচজন উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান। আইপিএলে ৭৩ বলে ১৫৮ রানের হার-না-মানা দুর্বার এক ইনিংস খেলেছেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। ২০০৮ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সিতে খেলা তার এ ইনিংসটি এখনো আছে তালিকার চূড়ায়।
টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের সেঞ্চুরি খরা যেন কিছুতেই কাটছিল না কক্সের। অবশেষে ১৪৪তম ম্যাচে এসে জাদুকরী তিন অঙ্কের দেখা পেয়ে গেছেন। তাতেই ঘুচে গেছে সেই অপূর্ণতা। টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট ভাইটালিটি ব্লাস্টের ইতিহাসে কক্স খেলেছেন এসেক্সের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইনিংস। এক্ষেত্রে রেকর্ডটা ধরে রেখেছেন গ্রাহাম নেপিয়ার। ২০০৮ সালে ৫৮ বলে ১৫২ রানে অপরাজিত ছিলেন এ ইংলিশ অলরাউন্ডার।
কক্সের ঝোড়ো ইনিংসের সুবাদে হ্যাম্পশায়ারকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে এসেক্স। জয়টা ধরা দিয়েছে ৪ বল হাতে রেখে। চেমসফোর্ডে টসে হেরে শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে ২২০ রান সংগ্রহ করে হ্যাম্পশায়ার। ওপেনার টবি আলবার্ট ৮৪, মিডলঅর্ডার ব্যাটার হিল্টন কার্টরাইট ৫৬ ও টম প্রেস্ট ৪১ রান যোগ করেন দলীয় স্কোরে। ২২১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৬০ বলে ১১ বাউন্ডারি ও ১১ ছক্কায় কক্স ১৩৯* রানের ইনিংস এনে দেওয়ায় জয়ের বন্দরে নোঙর করে এসেক্স।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
হ্যাম্পশায়ার : ২২০/৬, ২০ ওভার (আলবার্ট ৮৪, কার্টরাইট ৫৬, প্রেস্ট ৪১; হার্মার ২/২৭ ও জোন্স ২/৪৬)।
এসেক্স : ২২২/৬, ১৯.২ ওভার (কক্স ১৩৯*, পেপার ২৩; ডসন ২/২২ ও উড ২/৩৩)।
ফল : এসেক্স ৪ উইকেটে জয়ী।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

