১৫০ কিলোমিটার গতিতে বল করতে পারেন নাহিদ রানা। বাংলাদেশের এই গতিময় পেসারকে দীর্ঘদিন সার্ভিস পেতে হলে এখনই তাঁর শরীরের ওপর বাড়তি চাপ দেওয়া যাবে না। চোটের কারণে জাতীয় দলের বাইরে থাকা নাহিদকে নিয়ে এমনই সতর্কবার্তা দিয়েছেন ক্যারিবীয় ধারাভাষ্যকার ইয়ান বিশপ। তাঁর পরামর্শ, তাৎক্ষণিক সাফল্যের আশায় যেন ‘সোনার ডিম পাড়া হাঁসটিকে’ মেরে ফেলা না হয়।
বিশপের মতে, চিকিৎসাবিজ্ঞানের সহায়তায় নাহিদকে যত্নে রাখতে হবে, যাতে সময়ের সঙ্গে তাঁর শরীর পেস বোলিংয়ের কঠিন ধকল সহ্য করার মতো শক্তিশালী হয়ে ওঠে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্সের অভিজ্ঞতার ওপর আস্থা রয়েছে তাঁর। সিমন্সকে নিজের বড় ভাইয়ের মতো উল্লেখ করে বিশপ বলেন, তিনি অত্যন্ত চমৎকার একজন কোচ এবং বিষয়টি ভালোভাবেই উপলব্ধি করবেন।
নিজের ক্যারিয়ারে একের পর এক স্ট্রেস ফ্র্যাকচারের অভিজ্ঞতা থেকে বিশপ জানেন, পেস বোলিং কতটা ধকলের। তাঁর মতে, কারও কারও শরীরে চোটের প্রবণতা অন্যদের তুলনায় বেশি থাকে। তাই নাহিদের ফিটনেস ও কন্ডিশনিং ট্রেনারদের সতর্ক থাকতে হবে। যথাযথ অনুশীলনের মাধ্যমে তাঁর শরীরকে চোট প্রতিরোধে সক্ষম করে তুলতে হবে। একই সঙ্গে মেডিকেল দলের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ।
এ ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার পেসারদের উদাহরণ দিয়েছেন বিশপ। তাঁর মতে, অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ডের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় মিচেল স্টার্ক, চোট কাটিয়ে ফেরা প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজলউডরা ভালোভাবে সামলেছেন নিজেদের। ফলে ৩৩, ৩৫, ৩৬, এমনকি ৩৭ বছর বয়সেও তাঁরা দুর্দান্ত বোলিং করছেন। স্কট বোল্যান্ডের কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।
চোটের কারণে সবশেষ কয়েকটি সিরিজের পাশাপাশি চলমান ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেও নেই নাহিদ। বিশপের বার্তা স্পষ্ট, এই মুহূর্তের সাফল্যের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নাহিদের দীর্ঘমেয়াদি ক্যারিয়ার।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

