র্যাংকিংয়ের ব্যবধান মাঠেই প্রতিফলিত হলো। টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ে অষ্টম স্থানে থাকা শ্রীলঙ্কার কাছে পাত্তাই পেল না ওমান। ওমানকে ১০৫ রানে হারিয়ে ‘বি’ গ্রুপে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে লঙ্কানরা। ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে সুপার এইটে ওঠার পথ আরো মসৃণ করল দাসুন শানাকার দল। অন্যদিকে, টানা দুই হারে ওমানের বিদায় প্রায় নিশ্চিত। ‘বি’ গ্রুপে ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট ও +৩.১২৫ নেট রানরেটে শীর্ষে শ্রীলঙ্কা। এক ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয়, সমান পয়েন্ট নিয়ে রানরেটে পিছিয়ে তৃতীয় জিম্বাবুয়ে। দুই ম্যাচে পয়েন্টশূন্য আয়ারল্যান্ড এবং ওমান যথাক্রমে চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে।
টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল শ্রীলঙ্কা। পাওয়ারপ্লেতে ২ উইকেটে ৫৮ রান তোলা শ্রীলঙ্কা পরের ৯ ওভারে আরো ৮৮ রান যোগ করে। আর শেষ ৫ ওভারে ৭৯ রান তুলে ইনিংস শেষ করে ৫ উইকেটে ২২৫ রানে, যা চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। কুশল মেন্ডিস ৪৫ বলে ৬১, পবন রত্নায়েকে ২৮ বলে ৬০ ও অধিনায়ক শানাকা ২০ বলে ৫০ রান করেন।
২২৬ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই চাপে পড়ে ওমান। পাওয়ারপ্লেতে ৩৬ রান তুলতেই হারায় ৩ উইকেট। ১০ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ৬১। মোহাম্মদ নাদিম একপ্রান্ত আগলে রেখে ৫৬ বলে অপরাজিত ৫৩ রান করেন। ওয়াসিম আলী করেন ২৭। চতুর্থ উইকেটে তাদের ৪২ রানের জুটিই ছিল ওমানের ইনিংসের একমাত্র উজ্জ্বল মুহূর্ত। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১২০ রানে থামে তাদের ইনিংস।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
শ্রীলঙ্কা : ২০ ওভারে ২২৫/৫ (কুশল মেন্ডিস ৬১, রত্নায়েকে ৬০, শানাকা ৫০; রামানন্দি ২/৪১, সুফিয়ান ১/৬০)।
ওমান : ২০ ওভারে ১২০/৯ (নাদিম ৫৩*, ওয়াসিম ২৭; তিকশানা ২/১১, চামিরা ২/১৯, ভেল্লালাগে ১/১৭)।
ফল : শ্রীলঙ্কা ১০৫ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা : পবন রত্নায়েকে (শ্রীলঙ্কা)।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

