বিএনপি সরকারের ছয় মাস পূর্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার সাফল্য-ব্যর্থতার পাশাপাশি আলোচনায় এসেছে বিরোধী দলের ভূমিকা। সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে সরব বিরোধী দল নিজেদের কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে দাবি করছে, অতীতের সংঘাতমুখর রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে তারা দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করছে। তবে সেই ভূমিকা পালনে সরকারি মহলের অসহযোগিতা ও নানা বাধার অভিযোগও তুলেছে তারা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান বিরোধী দলের ভূমিকা ভালো। তবে কিছু ক্ষেত্রে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে তিক্ততা এমনকি শত্রুতামূলক আচরণ দেখা যাচ্ছে, যা উদ্বেগজনক। এ অবস্থায় উভয়পক্ষকে আরো সংযমী হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে যাত্রা করে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। ৭৭ জন সদস্য নিয়ে (পরে সংরক্ষিত আসনের ১৩ জন নারী সদস্য যুক্ত হন) প্রথম অধিবেশন থেকেই অতীতের নোংরা রাজনৈতিক সংস্কৃতি ছেড়ে সংসদকে প্রাণবন্ত করার ক্ষেত্রে যথাযথ ভূমিকা রাখার সিদ্ধান্ত নেয় জামায়াত জোট। সে অনুযায়ী তারা জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে প্রয়োজনীয় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন, সরকারকে ভালো কাজে সমর্থন ও সহায়তা যেমন দিয়েছেন, তেমনি বিভিন্ন দাবি ও মত অগ্রাহ্যের কড়া প্রতিবাদ এমনকি ওয়াকআউটও করে বিরোধী এমপিরা। সরকারকে চাপে রাখতে এরই মধ্যে সংসদের পাশাপাশি রাজপথেও আন্দোলন কর্মসূচিতে নেমেছে বিরোধী দল।
তবে বিরোধী দলের কিছু নতুন সদস্যের অদক্ষতা, বিতর্কিত কথাবার্তা এমনকি অনৈতিক কর্মকাণ্ডে দল বেশ বিব্রত ও অস্বস্তিতে পড়ে। বিশেষ করে সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতের প্রবীণ সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ‘নৈতিক স্খলনের’ কারণে দল থেকে বহিষ্কারের ঘটনাটিও বেশ তোলপাড় সৃষ্টি করে।
এ বিষয়ে বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ মাসুম আমার দেশকে বলেন, দেশের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি অনুযায়ী বিরোধী দলের সঙ্গে সব সময় সরকারি দলের সঙ্গে তিক্ত ও বৈরিতার সম্পর্ক চলে আসছে। বর্তমান সংসদের বিরোধী দল অনেকটা সমঝোতা ও সংযমের পরিচয় দেখালেও ক্রমেই সেটি বৈরিতা ও তিক্ততা এমনকি শত্রুতার সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এখনই বিরোধী দলের রাজপথের আন্দোলন যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি বিরোধী দলের সঙ্গে সরকারি দলের আচরণও হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অভিজ্ঞতার অভাব থাকলেও বিরোধী দল তাদের দায়িত্ব পালনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে এই বিশ্লেষক আরো বলেন, তাদের অধিকাংশ এমপি নতুন। সেক্ষেত্রে তাদের সংসদীয় আইন জানতে সময় লাগবে। তবে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে জামায়াত।
সংসদকে চরিত্র হননমুক্ত দেখার প্রত্যাশা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দল ১১ দলীয় ঐক্যের এমপি সংখ্যা ৯০ জন। এর মধ্যে সংরক্ষিত আসনের ১৩ জনসহ জামায়াতের ৭৭ জন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আটজন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তিনজন এবং খেলাফত মজলিস ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) একজন করে সংসদ সদস্য রয়েছেন।
গত ১২ মার্চ সংসদের প্রথম অধিবেশনেই বিরোধী দলের প্রত্যাশা ও ভূমিকা সম্পর্কে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছিলেন, এই সংসদে যেন কারো চরিত্র হননের পরিবর্তে জনকল্যাণে প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হয়। পরে একাধিক বক্তব্যে তিনি জুলাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত এই সংসদকে ব্যতিক্রম সংসদ আখ্যায়িত করে বলেন, আমরা বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা নয়, সরকারের সব ভালো কাজের সমর্থন ও সহযোগিতা এবং মন্দ কাজের প্রতিবাদ, প্রয়োজনে প্রতিরোধ গড়ে তুলব। এ বিষয়ে সরকারি দলের সহযোগিতা এবং স্পিকারের নিরপেক্ষ ভূমিকার প্রত্যাশার কথা জানান জামায়াত আমির। তার সেই বক্তব্য ও নীতি অনুযায়ী এ পর্যন্ত বিরোধী দল নিজেদের ভূমিকা পালন করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে বিরোধীদলীয় হুইপ ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান আমার দেশকে বলেন, আমরা গঠনমূলক বিরোধিতা করব। সরকারের ভালো কাজে আমরা সহযোগিতা করব, আর দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী কাজ করলে আমরা বিরোধিতাই করব না, রুখেও দাঁড়াব। সেটা সংসদের ভেতরে ও বাইরে। গত ৬ মাসে সেই কথারই প্রমাণ রেখে চলছে বিরোধী দল।
নানা ইতিবাচক উদ্যোগ
এবারের সংসদে বেশ ব্যতিক্রমী কিছু ভূমিকা রাখেন বিরোধীদলীয় এমপিরা। জুলাই বিপ্লবের চেতনা অনুযায়ী জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় কার্যকরের জন্য সংসদের প্রথম অধিবেশনেই নোটিস দিয়ে বিশেষ আলোচনা করেন তারা। এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও তারা আলাদা শপথ নেন। পরে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারকে চাপে রাখতেও বিরোধী দলের এমপিরা বক্তব্য অব্যাহত রাখেন।
এদিকে সরকার গঠনের অল্প দিনের মাথায় দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দেয়। ওই পরিস্থিতিতে সংকট নিয়ে আলোচনা ও পরিকল্পনা নিতে সংসদে আলোচনা ও তাদের প্রস্তাব অনুযায়ী সর্বদলীয় একটি বিশেষ কমিটি গঠিত হয়, যা পরবর্তীতে সংকটের কারণ চিহ্নিত করে সমাধানের পরিকল্পনা তুলে ধরে। একইভাবে প্রবাসীদের সমস্যা নিয়েও বিশেষ আলোচনা করেন বিরোধী দলের নেতা ও অন্য সদস্যরা। ইসলামী ব্যাংক সংকট, খুন, ধর্ষণ, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজিসহ উদ্ভূত নানা সমস্যা নিয়েও কথা বলেন তারা।
এদিকে সরকারের বিভিন্ন বিল পাসের ক্ষেত্রেও আলোচনায় অংশগ্রহণ, মতামত পেশ, অনেক ক্ষেত্রে সরকারি দলের সঙ্গে কণ্ঠভোটে সমর্থন দেওয়া, কখন মৌন সম্মতি আবার প্রয়োজনে না ভোটও দিয়েছেন বিরোধী দলের সদস্যরা। তাদের ব্যতিক্রমী এই ভূমিকাকে বেশ ইতিবাচক হিসেবে দেখেন খোদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারি দলের সদস্যরা। গত বাজেট অধিবেশনেও গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেয় বিরোধী দল। তাদের বেশ কিছু মত আমলে নিয়ে বাজেটে সংশোধনী আনা হয়। সম্প্রতি অর্থবছর পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত তারই অংশ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাছাড়া জামায়াতের পক্ষ থেকে ছায়া বাজেটও দেওয়া হয়, যা দেশের ইতিহাসে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ছিল। সর্বশেষ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দিয়ে বেশ আলোচনায় এসেছে বিরোধী দল। এছাড়া বিভিন্ন সংকট ও সমস্যা নিয়ে দফায় দফায় সংবাদ সম্মেলন করে সমাধানে সরকারকে উদ্যোগ নেওয়ার দাবি ও নানা পরামর্শও দিয়েছে তারা।
৫ দফা ওয়াকআউট
বিভিন্ন ইস্যুতে বিরোধী দলের মতামতকে অগ্রাহ্য বা আমলে না নেওয়া এবং সরকারি দলের সিদ্ধান্ত বা অবস্থানের বিরোধিতা করে সংসদ অধিবেশন ৫ দফায় ওয়াকআউট করে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা। প্রথম অধিবেশনের প্রথম কর্মদিবসে চব্বিশের গণহত্যার সহযোগী হিসেবে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে ভাষণ প্রদানের সুযোগ দেওয়ার প্রতিবাদ জানিয়ে ওয়াকআউট করে বিরোধী দল। এর পরে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের প্রস্তাব আমলে না নেওয়া এবং গণভোটের রায় উপেক্ষার অভিযোগে ১ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ওয়াকআউট করেন তারা। বিরোধিতার পরও ‘জনস্বার্থবিরোধী’ বিভিন্ন বিল পাসের প্রতিবাদ জানিয়ে ৯ এপ্রিল ওয়াকআউট করে বিরোধী দল। পরের দিন ১০ এপ্রিল অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের সব অনুমোদন না করার প্রতিবাদ জানিয়ে এবং সর্বশেষ ১৩ জুলাই সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটিতে সদস্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে সংসদ থেকে বেরিয়ে যান বিরোধীদলীয় সদস্যরা।
রাজপথে একের পর এক আন্দোলন কর্মসূচি
জাতীয় ও জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ইস্যুতে সংসদে কথা বলেও তেমন সাড়া না পাওয়ায় মাত্র দেড় মাসের মাথায় রাজপথের কর্মসূচি শুরু করে বিরোধী দল ১১ দলীয় ঐক্য। গণভোটের রায় অনুযায়ী জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে গত ৪ এপ্রিল বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে বিক্ষোভ সমাবেশের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে গত ১৬ মে থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত বিভাগীয় সমাবেশ করে তারা। এছাড়া জেলায় জেলায় বিক্ষোভসহ নানা কর্মসূচি পালন করে তারা। সর্বশেষ গত ৫ আগস্ট বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে জামায়াতে ইসলামীর সমাবেশ এবং ৬ আগস্ট ১১ দলীয় ঐক্যের অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়। সেখান থেকে ৫ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত চার বিভাগে লংমার্চ এবং ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। গ্যাস-বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটসহ বিভিন্ন দাবিতে ওই অবস্থান থেকে বিরোধীদলীয় নেতার নেতৃত্বে সচিবালয়মুখী পদযাত্রা বেশ আলোচিত হয়।
এ প্রসঙ্গে এনসিপি সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব আমার দেশকে বলেন, ১১ দলীয় ঐক্য তার জায়গা থেকে সরকারি দলের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সমালোচনা ও প্রতিবাদ করছে। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন দাবি এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ, জ্বালানি সংকটসহ নানা সমস্যার বিরুদ্ধে সংসদের পাশাপাশি রাজপথে নানা কর্মসূচি পালন করছে।
এমপিদের কাজে বাধা ও বৈষম্যের অভিযোগ
গত ৬ মাসে একটি দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের চেষ্টা করলেও সরকারি মহল থেকে নানা বাধা-বিঘ্ন, অসহযোগিতা, বৈষম্যমূলক আচরণ এমনকি কিছু ক্ষেত্রে হামলা ও উসকানি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট এমপিরা। সম্প্রতি কুষ্টিয়া সদর ও মেহেরপুর-১ আসনের জামায়াতদলীয় এমপিরা বিপক্ষের হামলার শিকার হন। গত ৬ জুলাই সাভারে এনসিপি আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামের উপস্থিতিতে সমাবেশে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পাবনায় নিজ নির্বাচনি এলাকার মসজিদে জুমার খুতবা দিতে গিয়ে বিএনপির লোকদের বাধার মুখে পড়েন জামায়াতদলীয় এমপি।
এছাড়া দলীয় কর্মসূচিতে গিয়ে হবিগঞ্জ এলাকায় পুলিশি বাধা, হেনস্তা ও সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন এনসিপির এমপি নাহিদ ইসলাম, হাসনাত আবদুল্লাহ, ডা. মাহমুদা আলম মিতুসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। পাশাপাশি নির্বাচনি এলাকায় বিরোধীদলীয় এমপিদের বিভিন্ন কাজের ক্ষেত্রে সরকারি মহলের বাধা-বিঘ্ন, অসহযোগিতা, সরকারি বরাদ্দে বৈষম্য ও অসহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে বিরোধী দলকে ব্যর্থ হিসেবে প্রমাণের জন্য একটি মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে সব বাধা অতিক্রম করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বিরোধীদলীয় এমপিরা।
এ প্রসঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আমরা রাজনীতিতে কোনো সংঘাত চাচ্ছি না। আমরা সংযমী হয়ে দেশ গোছানোর দিকে যাচ্ছি। আমাদের এমপিদের ওপর বিনা কারণে হামলা করা হচ্ছে, ছাত্রদের ওপর হামলা হচ্ছে। এরপরও আমরা সবাইকে সংযমী হতে বলেছি।
কিছু এমপির বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে অস্বস্তি
তবে দলীয় কিছু সংসদ সদস্য ও নেতাদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে চরম অস্বস্তিতে পড়ে বিরোধী দল। সর্বশেষ নৈতিক স্খলনের কারণে জামায়াতের এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এর আগে নড়াইলের এমপি আতাউর রহমান বাচ্চুর বিরুদ্ধে একটি বরাদ্দের তালিকায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ ওঠে। এছাড়া সংসদে কয়েকজন এমপির বেফাঁস বক্তব্য নিয়ে বেশ সমালোচনা ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি বলেন, কোনো অন্যায়-অপরাধকে জামায়াত প্রশ্রয় দেয় না, দেবে না। এ ব্যাপারে জামায়াত কঠোর অবস্থান রয়েছে, সে অনুযায়ী সবাইকে সতর্ক করা হচ্ছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন



