অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডারউইনে বাংলাদেশের অবিশ্বাস্য ৯ উইকেটের জয় বিশ্বক্রিকেটে একের পর এক স্বীকৃতি পাচ্ছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের পর এবার বাংলাদেশের এই জয়কে বিশেষভাবে তুলে ধরেছে ক্রিকেটের প্রখ্যাত সাময়িকী উইজডেন। উইজডেন তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে চলতি দশকের ৭টি অপ্রত্যাশিত টেস্ট জয়ের তালিকা প্রকাশ করেছে। সেখানে বাংলাদেশের তিনটি জয়ও জায়গা পেয়েছে। ডারউইনের ঐতিহাসিক জয়ের সঙ্গে তালিকায় রয়েছে ২০২২ সালে মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে নিউজিল্যান্ড এবং ২০২৪ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের স্মরণীয় জয়।
তালিকায় বাংলাদেশের বিপক্ষে আফগানিস্তানের ২০১৯ সালের চট্টগ্রাম টেস্টের ২২৪ রানের জয়ও রয়েছে। বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি ড্রয়ের দিকে যাচ্ছে মনে হলেও আফগানিস্তান শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নেয়। সব মিলিয়ে তালিকার ৭ জয়ের মধ্যে ৪টিতে বাংলাদেশের উপস্থিতি রয়েছে। ভারতের দুটি এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের একটি জয়ও জায়গা পেয়েছে।
মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে ইতিহাস ২০২২
ডেভন কনওয়ের ১২২ রানে নিউজিল্যান্ড ৩২৮ করলেও বাংলাদেশের চার ব্যাটার ফিফটি করে দলকে ১৩০ রানের লিড এনে দেন। এরপর এবাদত হোসেনের সেই স্মরণীয় স্পেল, ৪৬ রানে ৬ উইকেট নিয়ে নিউজিল্যান্ডকে ১৬৯ রানে গুটিয়ে দেন। শরিফুল ইসলাম প্রথম ইনিংসে ৩টি এবং দ্বিতীয় ইনিংসে তাসকিন আহমেদও ৩টি উইকেট নেন। বাংলাদেশ জেতে ৮ উইকেটে।
পাকিস্তান হোয়াইটওয়াশ, ২০২৪
এ সিরিজের আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে কোনো টেস্ট জয় ছিল না বাংলাদেশের। এবার তাদেরই মাটিতে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। প্রথম টেস্টে ১০ উইকেট এবং দ্বিতীয়টিতে ৬ উইকেটে জয় পায় তারা। দ্বিতীয় টেস্টে লিটন দাসের ১৩৮ রান এবং হাসান মাহমুদের ৪৩ রানে ৫ উইকেট বাংলাদেশের জয়ে বড় ভূমিকা রাখে।
অস্ট্রেলিয়ায় মহাকাব্য, ২০২৬
ডারউইনে বাংলাদেশের পেসাররা অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসের ১০ উইকেটই তুলে নেন। হাসান মাহমুদ ৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়ে নেতৃত্ব দেন। এরপর তানজিদ হাসান তামিমের ১০১ ও নাজমুল হোসেন শান্তর ৮৪ রানে বাংলাদেশ ২২৮ রানের লিড পায়। দ্বিতীয় ইনিংসে মেহেদী হাসান মিরাজ ৬৬ রানে ৫ উইকেট এবং হাসান ৩ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে দেন। জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ৫৭ রান। ৯ উইকেট হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

