চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে পানি চলাচলের পথে ওয়াল নির্মাণ করায় দীর্ঘদিন ধরে পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছিলেন প্রায় ২০০ পরিবার। এ নিয়ে দৈনিক আমার দেশসহ কয়েকটি গণমাধ্যমে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। পরে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী ওয়ালটি ভেঙে অপসারণ করা হয়েছে।
১৯ আগস্ট বুধবার সকাল ১০টার দিকে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমানের নির্দেশনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার হাইদগাঁও ইউনিয়ন ও পটিয়া পৌরসভার শেষ অংশের মঙ্গলের টেক এলাকায় পানি চলাচলের পথে ওয়াল নির্মাণ করায় দীর্ঘদিন ধরে পানি নিষ্কাশন বন্ধ ছিল। এতে ওই এলাকার প্রায় ২০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। পাশাপাশি চাষাবাদের জমি ও পুকুরও পানিতে তলিয়ে যায়।
বিষয়টি নিয়ে দৈনিক আমার দেশসহ কয়েকটি গণমাধ্যমে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমানের নজরে আসে। পরে তার নির্দেশে পটিয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শ্যামল চন্দ্র ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী ওয়ালটির বিষয়ে সত্যতা পাওয়ার পর বুধবার সকালে সেটি ভেঙে অপসারণ করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও কাজীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি কাজী আরিফ উল্লাহ বলেন, ‘পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমানের নির্দেশে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা ওয়ালটি প্রশাসন ভেঙে ফেলেছে। এতে পানিবন্দি ২০০ পরিবার দুর্ভোগ থেকে মুক্ত হয়েছে। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে প্রশাসনকে সাধুবাদ জানাচ্ছি।’
হাইদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দীন বলেন, ‘স্থানীয়দের মৌখিক অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী ওয়ালটি ভেঙে ফেলেছে। এর আগে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নজরে আসে।’
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

