ওয়ানডে সিরিজে সাফল্যের ধারাবাহিকতা টি-টোয়েন্টিতে ধরে রাখতে পারল না বাংলাদেশ। হার দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করল তারা। আজ চট্টগ্রাম সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে চার উইকেটে হারাল অস্ট্রেলিয়া। এ জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল সফরকারীরা। আগামী শুক্রবার একই ভেন্যুতে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হবে।
বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট সিপাহি মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ ১৯ ওভারে ১৩১ রান তোলে। জবাবে ১০ বল বাকি থাকতে ছয় উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় অস্ট্রেলিয়া। মূলত ব্যাটিং ব্যর্থতায় প্রথম ম্যাচ হারল বাংলাদেশ। ইনজুরির কারণে ম্যাচটিতে খেলতে পারেননি নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাস। টপ অর্ডারে সৌম্য সরকার ফিরলেও আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি। দুই ওপেনার সাইফ ও তানজিদ সতর্ক হয়ে ব্যাটিং শুরু করেছিলেন।
কিন্তু দলীয় ২৬ রানে এ জুটি ভেঙে যাওয়ার পর ধারাবাহিক বিরতিতে একের পর এক উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শেষদিকে মেহেদী হাসানের অপরাজিত ২৯ রানের সুবাদে স্কোর লম্বা হয়। স্বীকৃত ব্যাটারদের মধ্যে সাইফ সর্বোচ্চ ২০, সৌম্য ১৭ রান করেন। টপ ও মিডল অর্ডারের কেউই বড় ইনিংস খেলতে না পারায় লড়াকু স্কোর গড়তে পারেনি বাংলাদেশ। অ্যাডাম জাম্পা ও নবীন জোয়েল ডেভিস তিনটি করে উইকেট নেন। ম্যাট রেনশ পান দুই উইকেট।
লো স্কোরিং ম্যাচে জয়ের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে অতটা বেশি বেগ পেতে হয়নি অস্ট্রেলিয়াকে। তবে অভিষেকেই দুই উইকেট শিকার করে নজর কাড়েন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। কুপার কনোলি ও রেনশর উইকেট নেন বাংলাদেশের এই নবিশ পেসার। শরিফুল, মোস্তাফিজ, মেহেদী ও রিশাদ একটি করে উইকেট নেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন কনোলি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ : ১৯ ওভারে ১৩১ (মেহেদী ২৯*, সাইফ ২০, সৌম্য ১৭; ডেভিস ৩/১৭, জাম্পা ৩/১৮, রেনশ ২/২৬)।
অস্ট্রেলিয়া : ১৮.২ ওভারে ১৩৩ (কনোলি ৪৭, ডেভিড ২০, রেনশ ১৮; সাকলাইন ২/৩২, মোস্তাফিজ ১/১৬, শরিফুল ১/২২)।
ফল : চার উইকেটে জয়ী অস্ট্রেলিয়া।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

