গার্দিওলা-আনচেলত্তির ‘না’, ইতালির ডাগআউটে বিশ্বকাপজয়ী পিরলো

গার্দিওলা-আনচেলত্তির ‘না’, ইতালির ডাগআউটে বিশ্বকাপজয়ী পিরলো

পেপ গার্দিওলা ও কার্লো আনচেলত্তিকে নিয়ে চেষ্টা করেও সফল হয়নি ইতালিয়ান ফুটবল ফেডারেশন। দুই তারকা কোচের ‘না’ শোনার পর এবার জাতীয় দলের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হচ্ছে ২০০৬ বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি আন্দ্রে পিরলোর হাতে।

বিজ্ঞাপন

ইতালিয়ান সাংবাদিক মাত্তেও মোরেত্তোর তথ্য অনুযায়ী, পিরলোকে নতুন প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেছে ইতালি। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। তিনি দায়িত্ব নেবেন জেন্নারো গাত্তুসোর স্থলাভিষিক্ত হয়ে।

এর আগে ইতালির টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পাওলো মালদিনি এবং স্পেশাল অ্যাডভাইজর লিওনার্দো স্বীকার করেছেন, জাতীয় দলের কোচ হিসেবে প্রথমে কার্লো আনচেলত্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। পরে প্রস্তাব দেওয়া হয় পেপ গার্দিওলাকেও। তবে ব্যক্তিগত ও পেশাদার কারণ দেখিয়ে দুজনই সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন।

এরপরই ইতালির নজর যায় পিরলোর দিকে। ৪৭ বছর বয়সী এই সাবেক মিডফিল্ডার বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রো লিগের ক্লাব ইউনাইটেড এফসির দায়িত্বে রয়েছেন। তবে ইতালির প্রস্তাব গ্রহণের জন্য তার বর্তমান ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি বাতিলে কোনো জটিলতা হবে না বলেই জানা গেছে।

খবর অনুযায়ী, ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ইতালির সঙ্গে চুক্তি করবেন পিরলো। এই মেয়াদে তার বার্ষিক বেতন হবে প্রায় ১৫ লাখ ইউরো, যা গার্দিওলা, আনচেলত্তি, আন্তোনিও কোন্তে কিংবা রবের্তো মানচিনির সম্ভাব্য পারিশ্রমিকের তুলনায় অনেক কম।

খেলোয়াড়ি জীবনে ইতালির ইতিহাসের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডার হিসেবে পরিচিত পিরলো ২০০৬ সালে আজ্জুরিদের বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন। তবে কোচ হিসেবে তার পথচলা ছিল মিশ্র। জুভেন্টাসে প্রথম মৌসুমেই কোপা ইতালিয়া জিতলেও পরে তুরস্কের ফাতিহ কারাগুমরুক এবং ইতালির সাম্পদোরিয়ায় প্রত্যাশা অনুযায়ী সাফল্য পাননি।

তবুও চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি বিশ্বাস করছে, মাঠে যে নেতৃত্বের পরিচয় পিরলো দিয়েছিলেন, এবার ডাগআউট থেকেও সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে জাতীয় দলকে নতুন করে সাফল্যের পথে ফিরিয়ে আনতে পারবেন তিনি।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন