বাংলাদেশ সময় বেলা পৌনে তিনটায় জাতীয় স্টেডিয়ামের মূল মাঠে নামে ভারত ও পাকিস্তান ফুটবল দল। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সেরে নেয় তারা। দুদলের ম্যাচ শুরুর সময় বেলা সাড়ে তিনটা। এই ম্যাচ দিয়েই দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আসর শুরু। কিন্তু তখনো স্টেডিয়ামে গ্যালারিতে দর্শকের দেখা নেই। হাতে গোনা কিছু দর্শক স্টেডিয়ামে এলেও গ্যালারি পুরোপুরি শূন্য। উদ্বোধনী ম্যাচের আগে জাতীয় স্টেডিয়ামের ভেতরে ও বাইরের পরিবেশ দেখলে বুঝাই যাবে না যে, এখানে সাফ ফুটবলের মতো বড় টুর্নামেন্ট হচ্ছে। সাফ ঘিরে নেই তেমন কোনো উত্তাপ-উত্তেজনা। তৈরি হয়নি ফুটবল উন্মাদনা। এবারের সাফ মাঠে দর্শক টানতে পারেনি আয়োজকরা।
সাফ ফুটবল খেলা দেখতে দর্শকরা মাঠে না আসার পেছনে টিকিটের উচ্চমূল্য বৃদ্ধি অনেকাংশে দায়ী। উদ্বোধনী দিনের অনেক টিকিটই অবিক্রিত। এছাড়া আয়োজকরাও টুর্নামেন্ট নিয়ে সেভাবে হাইপ তুলতে পারেনি। সব মিলেই দর্শকহীন মাঠে হচ্ছে সাফের ১৫তম আসর। অতীতে বাংলাদেশের মাটিতে যেসব আসর হয়েছে, দর্শক উন্মদনার দিক থেকে এর ধারে কাছেও নেই এবারের সাফ।
শুধু দর্শক-খরাই নয়, সাফের আয়োজক হিসেবে এবার বাংলাদেশের অনেক দুর্বলতা স্পষ্ট হয়েছে। অব্যবস্থাপনা, ভোগান্তি, সমন্বয়হীনতা ও সাংগঠনিক অদক্ষতার ব্যাপারগুলোই সামনে আসছে বারবার। যদিও বলা হচ্ছে, আয়োজক বাংলাদেশ ও সাফ কর্তৃপক্ষের মধ্যে কোনো রকমের দুরত্ব নেই। সব কিছুই ঠিকঠাক মতোই হচ্ছে।
এবারের সাফে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার টার্গেট বাংলাদেশের। ২০০৩ সালে একবারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তারা। এবার যে ছয়টি দল সাফে খেলছে, সব দিক বিবেচনায় বাংলাদেশ ফেভারিট। আজ রাত আটটায় ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশের সাফ মিশন শুরু হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

