দেশের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ঢাকা মোহামেডানের স্থায়ী সদস্য বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বর্তমানে স্থানীয় সরকার ও সমবায়মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। আজ মোহামেডান ক্লাবে সৌজন্য সফর করেন মির্জা ফখরুল। তাকে ঘিরে মোহামেডান ক্লাবে এক উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। এদিন মোহামেডান ক্লাবে মন্ত্রিপরিষদের একাধিক সদস্য ও দেশের ক্রীড়াঙ্গনে বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও এসেছিলেন।
মোহামেডানের ফুটবল দলের অধিনায়ক ও বর্তমান যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী আমিনুল হক, ক্লাবের অন্যতম স্থায়ী সদস্য পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী শরিফুল আলম, সড়ক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ হাবিব, মন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, বেসরকারি বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রশিদ উজ-জামান মিল্লাত, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, সংসদ সদস্য ডাক্তার দেওয়ান সালাউদ্দিন আহমেদ, এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি, হুইপ রফিকুল ইসলাম বকুল, খায়রুল কবির খোকন এমপি, মোহামেডান ক্লাবের গভর্নিং বডির সাবেক সদস্য সচিব মনিরুল হক চৌধুরীসহ ক্লাবের অনেক কর্মকর্তা এবং সাবেক তারকা ক্রীড়াবিদরা উপস্থিত ছিলেন।
মোহামেডান ক্লাব সফরে এসে মির্জা ফখরুল বলেন, আবার মোহামেডান-আবাহনীর সেই হারানো জৌলুস আবার দেখতে চাই। একসময় আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচ ঘিরে দর্শকদের মধ্যে তুমুল উত্তাপ-উত্তেজনা ছিল। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাবের রোমাঞ্চ এখন আর দেখা যায় না। তিনি বলেন, মোহামেডান-আবাহনী ফুটবল দেখতে চাই। আমি সেই দৃশ্য দেখতে চাই যে, জাতীয় স্টেডিয়ামের মধ্যে মোহামেডান-আবাহনী খেলছে। আমরা বাইরে মারামারি করছি। তিনি আরো বলেন, মোহামেডান শুধু একটি ক্লাব নয়, এটি বাংলাদেশের ক্রীড়া ইতিহাসের একটি বড় অংশ। দেশের ফুটবল, ক্রিকেট ও হকির বহু গৌরবোজ্জ্বল মুহূর্তের সঙ্গে এই ক্লাব জড়িয়ে আছে। পুরোনো স্মৃতিচারণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, খেলাধুলা অঙ্গনে আসলে মনে হয় আমি নিজের ঘরে এসেছি। আমি মফস্বলের লোক ছিলাম, খেলাধুলা করেছি। আমরা অন্ধকার সময় থেকে বেরিয়ে এসেছি। আমরা নতুন স্বপ্ন দেখি, নতুন আলো দেখি।
দেশের ক্রীড়াঙ্গন নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। গত সোমবার প্রথমবারের মতো ক্রীড়াবিদদের জন্য মাসিক ভাতা চালু করেছে সরকার। এমন উদ্যোগ গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ দিয়েছেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘দেশে নামার পর আমাদের চেয়ারম্যান বলেছিলেন তার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই পরিকল্পনায় ক্রীড়া রয়েছে। ক্রীড়াবিদদের ভাতা ও কার্ড দেওয়া হয়েছে। এতে শুধু বর্তমান নয়, ভবিষ্যতের খেলোয়াড়দের জন্যও অনুপ্রেরণা।’ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক মোহামেডানের পাশাপাশি আবাহনীসহ অন্য ক্লাবগুলোকেও গুরুত্ব দিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে মোহামেডানের অবদান অনেক। আমরা আবাহনীসহ অন্য ক্লাবগুলোকেও এগিয়ে নিতে চাই।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

