


তাজুল ইসলাম
তার ভাষায়, এটি সত্য যে বর্তমানে তাদের সবচেয়ে দুর্বল অবস্থানে রয়েছে ইরান। আমাদের উচিত, এ সময়টিকে কাজে লাগিয়ে একটি কূটনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করা।

আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরেই অনেক প্রকল্পের কিস্তির অঙ্ক দ্বিগুণের মতো বাড়তে পারে। আয়ের তুলনায় ব্যয় বাড়তে থাকলে বাজেট সংকোচন, ছোট প্রকল্প স্থগিত এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার সংকুচিত হতে পারে।

২০২৫ রোজার প্রাপ্তি, ২০২৬-এর প্রত্যাশা
মাদান মানেই বিদ্যুতের বাড়তি চাপ—বিশেষত গরম ও কৃষি সেচ মৌসুমের কারণে। গ্রামীণ এলাকায় পল্লী বিদ্যুৎ ও আরইবি প্রায় ৩.৬৪ কোটি গ্রাহককে সেবা দিচ্ছে—যা প্রায় ১৪ কোটির বেশি মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে সম্পৃক্ত।