গাম্বিয়ার উপকূলে অভিবাসীবাহী নৌকা ডুবে নিহত ১২

গাম্বিয়ার উপকূলে অভিবাসীবাহী নৌকা ডুবে নিহত ১২
ছবি: সংগৃহীত।

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়ার উপকূলে অভিবাসীবাহী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কতজন নিখোঁজ রয়েছেন, তা এখনো জানা যায়নি। বৃহস্পতিবার রেড ক্রস এ তথ্য জানিয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

বিজ্ঞাপন

নৌকাটি ‘জিনাক কাজাতা’ গ্রাম থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। গ্রামটি আটলান্টিক মহাসাগরের একটি দ্বীপে অবস্থিত, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছানোর চেষ্টাকারী অভিবাসীদের একটি অন্যতম প্রধান যাত্রা পয়েন্টে পরিণত হয়েছে।

তীব্র স্রোত এবং জরাজীর্ণ ও অতিরিক্ত বোঝাই নৌযান ব্যবহারের কারণে পশ্চিম আফ্রিকা থেকে এই দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রা অত্যন্ত বিপজ্জনক।

গাম্বিয়া রেড ক্রস সোসাইটি বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানায়, ‘নিখোঁজ ব্যক্তির সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় এ বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরেও জিনাক কাজাতার উপকূলে অভিবাসীবাহী আরেকটি নৌকা ডুবে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। ওই দুর্ঘটনায় ৪০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয় এবং প্রায় ১০০ জন নিখোঁজ হয়।

মরক্কো, মৌরিতানিয়া ও সেনেগালের উপকূলে সাম্প্রতিক সময়ে নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে। ফলে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টায় অভিবাসীরা আরও দক্ষিণের পথ বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে সমুদ্রযাত্রার দূরত্ব ও ঝুঁকি—দুটিই বেড়েছে।

দারিদ্র্য, সংঘাত ও নিপীড়ন থেকে পালিয়ে ইউরোপে আশ্রয় নিতে চাওয়া অভিবাসীদের জন্য ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ অন্যতম প্রধান প্রবেশপথ। ইতালি ও গ্রিসের দিকে ভূমধ্যসাগরীয় পথও অভিবাসীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

২০২৪ সালে আটলান্টিক মহাসাগরের এ দ্বীপপুঞ্জে অভিবাসীদের আগমন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। সে বছর ৪৬ হাজারের বেশি মানুষ সেখানে পৌঁছান। তবে অভিবাসীদের আগমন কমাতে স্পেনের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে সাম্প্রতিক সময়ে এ সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন