রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেরগেই ল্যাভরভ অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমিয়ে স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে তোলার পথে এগোচ্ছে না। বরং তাদের কৌশল অঞ্চলটিতে অস্থিরতা বজায় রেখে বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক ও জ্বালানি স্বার্থ নিশ্চিত করা।
রয়টার্সকে তিনি বলেন, ইরান ও তার প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার কোনো প্রকৃত আগ্রহ ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের মধ্যে দেখা যাচ্ছে না। তার দাবি, এই দুই দেশ বরং এমন নীতিই অনুসরণ করছে, যা সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা জিইয়ে রাখে।
রাশিয়ার এ শীর্ষ কূটনীতিক আরো বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের পেছনে ‘রেজিম পরিবর্তনের’ একটি সুস্পষ্ট প্রবণতা রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক পরিবর্তন বা সরকার বদলের প্রচেষ্টা মূলত তেল ও গ্যাস সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বৃহত্তর কৌশলের অংশ। এ ধরনের পদক্ষেপ কেবল আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে দুর্বল করছে না, বরং আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতাও বাড়িয়ে তুলছে।
ল্যাভরভ সতর্ক করে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি যদি নিয়ন্ত্রণে না আনা যায়, তবে এটি একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ইতোমধ্যেই একাধিক দেশকে জড়িয়ে ফেলেছে, এবং এতে নতুন করে শক্তির ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তার মতে, পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি ঘটলে এটি বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

