নির্বাচনে জয়ের পর এবার প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়াচ্ছে সার্বিয়ার শিক্ষার্থী জোট

নির্বাচনে জয়ের পর এবার প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়াচ্ছে সার্বিয়ার শিক্ষার্থী জোট
ছবি: সংগৃহীত।

সার্বিয়ার শিক্ষার্থীদের সমর্থিত নির্বাচনি জোট নতুন পরবর্তী সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সম্প্রতি তারা দেশটির প্রতিরক্ষা খাতে উল্লেখযোগ্য ব্যয় বাড়ানোর পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। দীর্ঘমেয়াদে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে তারা। পাশাপাশি সেনাসদস্যদের বেতন বৃদ্ধি এবং সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে। খবর আনাদোলুর।

বিজ্ঞাপন

সার্বিয়ার সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও নির্বাচনি জোটের প্রতিনিধি লুকা পোনোরাচ রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আরটিএসকে জানিয়েছেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আর্থিক সক্ষমতা ও জনবলের প্রাপ্যতার ওপর নির্ভর করে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে সার্বিয়ার প্রতিরক্ষা ব্যয় জিডিপির প্রায় ২ থেকে ২ দশমিক ৫ শতাংশ ধরা হয়েছে। নতুন পরিকল্পনায় প্রথম পর্যায়ে তা বাড়িয়ে ৩ শতাংশে উন্নীত করার কথা বলা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে ব্যয় ৫ শতাংশে নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।

পোনোরাচ জানান, সার্বিয়ার প্রতিরক্ষা খাতের বিশেষজ্ঞরা এসব প্রস্তাব তৈরি করেছেন। এতে সামরিক খাতে অর্থের আরও দক্ষ ব্যবহার, সম্পদের ন্যায্য বণ্টন এবং সেনাবাহিনীর সব শাখা ও ইউনিটের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনায় সামরিক বাহিনীর সদস্যদের বেতন ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাবও রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন পদমর্যাদা ও দায়িত্বের ভিত্তিতে বেতন বৈষম্য কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে পোনোরাচ বলেন, বিশেষ বাহিনীর কোনো কোনো সদস্যের বেতন জেনারেলদের চেয়েও বেশি। আবার ভাতার পার্থক্যের কারণে মিলিটারি একাডেমির জ্যেষ্ঠ প্রশিক্ষকদের বেতন অনেক ক্ষেত্রে সামরিক অভিযানে নিয়োজিত কিছু কর্মকর্তার চেয়ে কম।

এ ছাড়া সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য সুস্পষ্ট ও পূর্বানুমানযোগ্য পদোন্নতি এবং পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ তৈরির ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

এমএমআর

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন