আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

মোজতবা খামিনি কি আগে রাষ্ট্রীয় কোনো দায়িত্ব পালন করেছেন

আমার দেশ অনলাইন

মোজতবা খামিনি কি আগে রাষ্ট্রীয় কোনো দায়িত্ব পালন করেছেন

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনিকে জনসম্মুখে তেমন একটা দেখা যায়নি। তিনি কোনো নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি। আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কার্যালয়ের দায়িত্ব পালন করেননি তিনি। তবে দীর্ঘদিন ধরে ইরানের জটিল ধর্মতান্ত্রিক ক্ষমতাকাঠামোর ভেতরে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের সঙ্গেও মোজতবা গভীর সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন।

বিজ্ঞাপন

১৯৬৯ সালে মাশহাদ শহরে জন্ম নেওয়া মোজতবা ছয় ভাইবোনের মধ্যে দ্বিতীয়। ছোটবেলাতেই তার বাবা ইরানের শেষ শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভিকে উৎখাতের আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর খামেনি পরিবার রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে।

তেহরানে আসার পর মোজতবা পড়াশোনা করেন আলাভি হাই স্কুলে। পরে তিনি ধর্মীয় শিক্ষা নিতে কোম শহরে যান এবং রক্ষণশীল আলেমদের কাছে দীর্ঘ সময় পড়াশোনা করেন। তবে এত বছর ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করলেও তিনি আয়াতুল্লাহ পদমর্যাদা অর্জন করতে পারেননি।

মোজতবা খামেনির বয়স ৫৬ বছর। তিনি কখনো বাবার উত্তরাধিকার হওয়াসংক্রান্ত বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেননি। তিনি সব সময় নিজেকে আড়ালে রেখেছেন। তার উপস্থিতি বেশিরভাগই ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সরকারি অনুষ্ঠান, জাতীয় স্মরণসভা এবং ধর্মীয় সমাবেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।

এই বছরের শুরুতে ব্যাপক বিক্ষোভের পর সরকারপন্থি একটি সমাবেশে তাকে শেষবার প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছিল।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোজতবা ১৯৮০-এর দশকের শেষ দিকে ইরান-ইরাক যুদ্ধেও অংশ নিয়েছিলেন। তিনি তরুণ বয়সে স্বেচ্ছাসেবক ইউনিটে যোগ দিয়েছিলেন বলে জানা গেছে, যা সামরিক বিষয়ে তার প্রথম অভিজ্ঞতা।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন