কানাডার ফরাসিভাষী প্রদেশ কুইবেকের নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদী কুইবেকোইস পার্টি (পিকিউ)। দলটির নেতা পল সাঁ-পিয়ের প্লামন্দোঁ প্রদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। এ জয়ে কানাডা থেকে কুইবেকের স্বাধীনতার প্রশ্নটি আবার সামনে এসেছে।
নির্বাচনী প্রচারে প্লামন্দোঁ প্রথম মেয়াদেই কুইবেকের স্বাধীনতার বিষয়ে তৃতীয় গণভোট আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদ ২০২৯ সালের জানুয়ারিতে শেষ হওয়ার আগে তিনি এই ভোট করবেন না বলে জানান।
১২৭ আসনের কুইবেক ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ৬৪টি আসন প্রয়োজন। কুইবেকোইস বা পেকুয়েস্ট পার্টি এই সংখ্যা পেয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি। সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে দলটিকে সংখ্যালঘু সরকার গঠন করতে হবে।
২০২২ সালের নির্বাচনে পেকুয়েস্ট পার্টি মাত্র তিনটি আসন পেয়েছিল। এবারের জয়ে কুইবেকে আট বছর ক্ষমতায় থাকা কোয়ালিশন অ্যাভেনির কুইবেক (সিএকিউ) সরকারেরও অবসান হলো। দলটি কুইবেকের জাতীয়তাবাদী হলেও স্বাধীনতার পক্ষে নয়।
ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড্যানিয়েল বেলার মতে, এই জয় কুইবেকের বহুদলীয় রাজনীতির ফল; স্বাধীনতার পক্ষে জনসমর্থনে বড় উত্থানের প্রতিফলন নয়। স্বাধীনতার পক্ষে সমর্থন এখনো প্রায় ৩০ শতাংশ।
কুইবেকে ১৯৮০ ও ১৯৯৫ সালে স্বাধীনতার বিষয়ে দুটি গণভোট হয়েছিল। দুবারই ভোটাররা কানাডা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।
এএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

