প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে আগামী রোববার ‘দিল্লি চলো’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট। দলমত নির্বিশেষে সব ছাত্র সংগঠনকে এই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের দিল্লির রামলীলা ময়দানে সমাবেশ করবে তারা। ইন্ডিয়া জোটের ওই কর্মসূচিকে ইতোমধ্যে সমর্থন জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। এ বার দেশের সব ছাত্র সংগঠনকে ‘দিল্লি চলো’ অভিযানে ডাক দিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। পুলিশের বা লাঠিচার্জের ভয় না পেয়ে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। বললেন, ‘বিজেপির আর ও সব করার সাহসও হবে না।’
এক ভিডিয়োবার্তায় রাহুল বলেন, ‘এটা গণতন্ত্র বাঁচানোর, ‘ভোট চুরি’ আটকানোর এবং সংবিধান বাঁচানোর মিছিল। এটা কোনো একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের মিছিল নয়।’
তিনি আরো বলেন, যারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও জ্ঞানেশের ‘কাজকর্মে ক্ষুব্ধ’, যারা দেশের ‘গণতন্ত্র বাঁচাতে চান’— তারা সবাইকে ‘দিল্লি চলো’ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার জন্য বলেছেন রাহুল।
ছাত্রযুবদের উদ্দেশে রাহুল বলেন, ‘পুলিশ বা লাঠিচার্জ নিয়ে ভয় পাবেন না। বিজেপির আর ও সব করার সাহস হবে না। মিছিলে যোগ দিন। আমরা সবাই সংবিধান এবং দেশকে রক্ষা করতে একসঙ্গে হাঁটব। ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।’
সিজেপি এবং কংগ্রেসের নেতৃত্বে ‘ইন্ডিয়া’ উভয়েই একই দাবিতে আন্দোলন চালাচ্ছে। তবে শুরুতে ককরোচদের থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখে কংগ্রেস। সিজেপির ‘যন্তর মন্তর ২.০’ কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে আটকও হয়েছেন বিরোধী শিবিরের অনেক নেতানেত্রীই। সেই তালিকায় ছিলেন চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী— মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পিনারাই বিজয়ন, মানিক সরকার এবং অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তবে সে দিনের কর্মসূচিতে রাহুল গান্ধী বা কংগ্রেস নেতৃত্ব যোগ দেননি।
সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


