মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর পাঁচ বছর ধরে চলা গৃহযুদ্ধের মধ্যেই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ফিরে পেতে শুরু করেছেন দেশটির সামরিক শাসক থেকে প্রেসিডেন্ট হওয়া মিন অং হ্লাইং। একসময় যাকে আঞ্চলিক জোট আসিয়ানের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক থেকে দূরে রাখা হয়েছিল, এখন সেই নেতাকেই একের পর এক দেশ স্বাগত জানাচ্ছে। সর্বশেষ মালয়েশিয়া সফরে তাকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে কঠোর অবস্থানের বদলে আঞ্চলিক দেশগুলো এখন বাস্তব স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এতে মিয়ানমারের সামরিক সরকারের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়লেও গৃহযুদ্ধ অবসানের কোনো স্পষ্ট পথ তৈরি হচ্ছে না।
গত সেপ্টেম্বরে মালয়েশিয়া মিন অং হ্লাইংকে সফরের আমন্ত্রণ জানালে দেশটি স্পষ্ট করেছিল, এর অর্থ তার সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়া নয়। মালয়েশিয়ায় থাকা মিয়ানমারের শরণার্থী ও অভিবাসীদের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানই ছিল সফরের উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছিলেন দেশটির এক কর্মকর্তা। কিন্তু গত সপ্তাহে কুয়ালালামপুরে পৌঁছালে সাবেক এই জেনারেলকে লালগালিচা সংবর্ধনা ও সামরিক গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক মধ্যাহ্নভোজের পর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, মিয়ানমার নিজ খরচে তাদের নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে নিতে প্রস্তুত। শরণার্থীবিরোধী মনোভাব বাড়তে থাকা মালয়েশিয়ায় এ ঘোষণা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। দেশটিতে মিয়ানমারের প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার নাগরিক রয়েছেন। তাদের অধিকাংশই নিপীড়িত রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর সদস্য।
মিন অং হ্লাইং বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে তিনি নৌবাহিনীর জাহাজ পাঠাবেন।
অন্যদিকে, মিয়ানমারকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১ সদস্যের আঞ্চলিক জোট আসিয়ানে পুনরায় সম্পৃক্ত করতে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আনোয়ার ইব্রাহিম। সহিংসতা বন্ধ ও সংঘাতরত পক্ষগুলোর মধ্যে গঠনমূলক সংলাপের আহ্বান জানিয়ে আসিয়ান যে পাঁচ দফা শান্তি পরিকল্পনা নিয়েছিল, তা বাস্তবায়ন না করায় মিন অং হ্লাইংকে জোটের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। মালয়েশিয়া ওই পরিকল্পনার অন্যতম জোরালো সমর্থক ছিল।
আনোয়ার ইব্রাহিম সাংবাদিকদের বলেন, মিয়ানমারকে কোনো ধরনের পক্ষপাত ছাড়াই আসিয়ানসহ জাতিগুলোর বৃহত্তর সম্প্রদায়ের অংশ হিসেবে ফিরিয়ে আনতে মালয়েশিয়া যথাসাধ্য চেষ্টা করবে।
মিয়ানমারে ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে চলা গৃহযুদ্ধে পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর হিসাবে প্রায় এক লাখ মানুষ নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন অন্তত ৩৫ লাখ। সংঘাত এখন পঞ্চম বছরে গড়িয়েছে।
মিন অং হ্লাইং গত এপ্রিলে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে তাকে আতিথ্য দেওয়া পঞ্চম আসিয়ান দেশ মালয়েশিয়া। এর আগে তিনি থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওস সফর করেন। গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর তিনি প্রেসিডেন্ট হন। ওই নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দলগুলোকে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি।
মালয়েশিয়া সফর শেষে তার মুখপাত্র জানিয়েছেন, পরবর্তী সময়ে ইন্দোনেশিয়া ও ব্রুনেই সফর করতে পারেন তিনি।
নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এশিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সম্মানসূচক গবেষক ব্রিজেট ওয়েলশের মতে, মিন অং হ্লাইংকে স্বাগত জানানোর মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়া জান্তাবিরোধী অবস্থানের ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন এনেছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও যেসব আঞ্চলিক নেতা তাকে স্বাগত জানাচ্ছেন, তারা মানবাধিকারের চেয়ে বাস্তব স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
ওয়েলশ বলেন, আসিয়ান ও মিয়ানমার—উভয়ের জন্যই এটি এক ধাপ পেছনে যাওয়ার মতো। এতে মিয়ানমারের সংকট সমাধানের কোনো বাস্তব পথ তৈরি হচ্ছে না। বরং সামরিক বাহিনীকে আন্তর্জাতিক বৈধতা দেওয়ার মাধ্যমে সংকট আরো বাড়তে পারে। দেশের ভেতরে যে বৈধতা সামরিক বাহিনীর নেই, বিদেশি সফরের মাধ্যমে তারা সেই স্বীকৃতি পাওয়ার চেষ্টা করছে।
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির চেষ্টা
মিন অং হ্লাইংয়ের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ফিরে পাওয়ার প্রচেষ্টা শুধু দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সীমাবদ্ধ নেই। গত এপ্রিল থেকে তিনি ভারত, চীন, রাশিয়া ও বেলারুশও সফর করেছেন। প্রতিটি সফরে তার সরকারকে স্থিতিশীল এবং গণতন্ত্রের পথে অগ্রসর হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন তিনি। পাশাপাশি বাণিজ্য ও অবকাঠামো খাতে চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছেন।
এমনকি যুক্তরাষ্ট্রও তার সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স গত সপ্তাহে জানিয়েছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মিন অং হ্লাইংয়ের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ওয়াশিংটন তার সরকারের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা শুরু করেছে। আলোচনার অন্যতম বিষয় মিয়ানমারে পরিচালিত প্রতারণাকেন্দ্রগুলো বন্ধ করা। এসব কেন্দ্র থেকে প্রতারণার মাধ্যমে মার্কিন নাগরিকদের কাছ থেকে কয়েক শ কোটি ডলার হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের ওপর সামরিক দমন-পীড়নের ঘটনায়ও মিন অং হ্লাইংয়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। ওই অভিযানের পর সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। যুক্তরাষ্ট্র ওই ঘটনাকে গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করেছিল।
ইয়াঙ্গুনের তাম্পাদিপা ইনস্টিটিউটের পরিচালক খিন জাও উইন বলেন, চীন, ভারত ও থাইল্যান্ডের সমন্বিত উদ্যোগ মিন অং হ্লাইংয়ের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিচ্ছে। তিনটি দেশের সঙ্গেই মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে। গৃহযুদ্ধের প্রভাবও তাদের ওপর পড়েছে। সীমান্তের কাছে সংঘর্ষ, বাণিজ্য ব্যাহত হওয়া এবং শরণার্থীদের প্রবেশ—এসব সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে তাদের।
খিন জাও উইনের মতে, মিয়ানমারের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে সবচেয়ে বেশি স্বার্থ রয়েছে এই তিন প্রতিবেশী দেশের। তাই তারা সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা সরকারকে স্বীকৃতি দিতে আগ্রহী।
তার ভাষায়, এ ক্ষেত্রে সবারই নিজস্ব সুবিধা ও স্বার্থ কাজ করছে।
সংঘাত থামেনি, বাড়ছে হামলা
কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়লেও মিয়ানমারের সংঘাত থামেনি। মিন অং হ্লাইং সব সশস্ত্র গোষ্ঠীকে শান্তি আলোচনায় অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। কিন্তু দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় লড়াই চলছে। বিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠী ও জাতিগত সশস্ত্র সংগঠনগুলোর কাছ থেকে হারানো এলাকা পুনর্দখলে অভিযান চালাচ্ছে সামরিক বাহিনী। রাখাইন, চিন, কাচিন ও কারেন রাজ্য এবং সাগাইং অঞ্চলে এসব অভিযান চলছে।
বিমান হামলা জোরদার করার পাশাপাশি সেনা নিয়োগও বাড়িয়েছে জান্তা সরকার। এতে তাদের বাহিনীতে আরো কয়েক দশ হাজার সদস্য যুক্ত হয়েছেন। অন্যদিকে, চীনও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী শক্তিশালী জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সামরিক বাহিনীর যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় মধ্যস্থতা করেছে।
তবে সাবেক ডাচ কূটনীতিক লেটিশিয়া ভ্যান ডেন আসুম মনে করেন, সামরিক বাহিনীর পক্ষে পুরো মিয়ানমারের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়া কঠিন।
তার মতে, এর জন্য শুধু নির্দিষ্ট কিছু স্থানে সেনাঘাঁটি রেখে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখলে চলবে না; পুরো দেশ দখলে রাখতে বিপুলসংখ্যক সেনার প্রয়োজন হবে।
তিনি বলেন, এ কারণেই মিন অং হ্লাইং দেশের কিছু এলাকায় সাময়িক যুদ্ধবিরতির ওপর নির্ভর করছেন। এতে অন্য এলাকায় লড়াই চালানোর জন্য সেনা সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে আসিয়ান দেশগুলোর উদ্যোগকেও বিস্ময়কর বলে মন্তব্য করেন ভ্যান ডেন আসুম। তার মতে, যার বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের ওপর অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ রয়েছে, তার কাছেই তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।
মিয়ানমার দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব অস্বীকার করে আসছে। ফলে তাদের নাগরিক হিসেবে দেশে ফিরিয়ে নিতে দেশটি আদৌ রাজি হবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতি। রোহিঙ্গাদের আদি নিবাস এই রাজ্যের বড় অংশ এখন জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। ফলে প্রত্যাবাসন করা হলেও রোহিঙ্গাদের কোথায় রাখা হবে, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে।
ভ্যান ডেন আসুম এ পরিস্থিতিকে ‘অন্ধের সঙ্গে অন্ধের কথা বলা’র সঙ্গে তুলনা করেছেন।
প্রতীকী পদক্ষেপে কি বদল আসবে?
মিন অং হ্লাইং আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে আরো কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন। গত আগস্টে থাইল্যান্ড সফরের আগে তিনি আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটিকে (আইসিআরসি) ক্ষমতাচ্যুত বেসামরিক নেত্রী অং সান সু চির সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেন। ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকে ৮১ বছর বয়সি নোবেলজয়ী এই নেত্রীকে কার্যত বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রাখা হয়েছিল। ৩ আগস্ট আইসিআরসির প্রতিনিধিরা তার সঙ্গে দেখা করেন। এতে বহু বছর পর সু চির প্রথম ছবি প্রকাশ্যে আসে।
সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক সাই কিয়ি জিন সো এই পদক্ষেপকে প্রকৃত রাজনৈতিক পরিবর্তনের বদলে কম খরচে ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরির চেষ্টা হিসেবে দেখছেন। তার মতে, ওই সাক্ষাৎ থেকে শুধু নিশ্চিত হওয়া গেছে যে অং সান সু চি বেঁচে আছেন। এর বেশি কিছু নয়।
তিনি বলেন, আসিয়ান নেতারা মিন অং হ্লাইংকে লালগালিচা সংবর্ধনা দিলেও সামরিক বাহিনীর বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। এর উদাহরণ হিসেবে তিনি ২৮ সেপ্টেম্বর রাখাইন রাজ্যের একটি বাজারে হামলার কথা উল্লেখ করেন। ওই হামলায় আনুমানিক ৫০ জন নিহত হন।
সাই কিয়ি জিন সো বলেন, হামলা অব্যাহত থাকাই প্রমাণ করে যে নমনীয় কূটনীতি সামরিক বাহিনীকে সহিংসতা থেকে বিরত রাখতে পারেনি।
বিদেশি সফরের মাধ্যমে পাওয়া স্বীকৃতি সামরিক বাহিনীকে আরো বেপরোয়া করে তুলতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি। তার মতে, কার্যকর প্রতিরোধের অভাব, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে দুর্বলতা, আসিয়ানের পুনরায় সম্পৃক্ত হওয়ার উদ্যোগ এবং চীন ও রাশিয়ার মাধ্যমে অস্ত্র ও জ্বালানি পাওয়ার সুযোগ—সব মিলিয়ে সামরিক বাহিনীর সামনে সংঘাত বাড়িয়ে যাওয়ার প্রণোদনা রয়েছে। বিশেষ করে সাগাইং ও রাখাইনের মতো বিতর্কিত এলাকায়, যেখানে তাদের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল, সেখানে হামলা আরো বাড়তে পারে।
আসিয়ানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
মিয়ানমার সংকট মোকাবিলায় এখন আসিয়ানের বর্তমান সভাপতি ফিলিপাইন ও পরবর্তী সভাপতি সিঙ্গাপুরের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এশিয়া হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লেবার অ্যাডভোকেটসের পরিচালক ফিল রবার্টসন বলেন, আঞ্চলিক কয়েকটি দেশের পক্ষ থেকে মিয়ানমারকে পুরোপুরি আসিয়ানের বলয়ে ফিরিয়ে আনার যে চাপ রয়েছে, তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে এই দুই দেশকে। একই সঙ্গে জোটের পাঁচ দফা শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চাপ অব্যাহত রাখতে হবে।
রবার্টসন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নকেও লক্ষ্যভিত্তিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছেন। তার মতে, বিমান চলাচলের জ্বালানি সরবরাহে নিষেধাজ্ঞার মতো পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। মিয়ানমার সংকটের পুরো দায় আঞ্চলিক জোটের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়।
তিনি আরো বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে জবাবদিহি নিশ্চিত করা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি জরুরি। এ জন্য বিভিন্ন দেশের আদালতে সর্বজনীন এখতিয়ারের আওতায় মামলা বাড়ানো যেতে পারে। অথবা মিয়ানমারের সামরিক নেতাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারের জন্য পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।
এএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

