মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন দিয়েছে কম্বোডিয়া। সম্প্রতি থাইল্যান্ডের সঙ্গে সীমান্ত সংঘর্ষ বন্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘দূরদর্শী এবং উদ্ভাবনী কূটনীতির’ কৃতিত্বস্বরূপ এই মনোনয়ন দিয়েছে দেশটি। খবর আল জাজিরার।
বৃহস্পতিবার নরওয়ের নোবেল কমিটিকে লেখা এক চিঠিতে কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেত বলেন, ‘বিশ্ব শান্তির অগ্রগতিতে ‘ঐতিহাসিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ’ তিনি ট্রাম্পকে মনোনীত করতে চান।
চিঠিতে আরো বলা হয়, ‘রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে অসাধারণ দূরদর্শী ও উদ্ভাবনী কূটনীতির মাধ্যমে সংঘাত সমাধান এবং বিপর্যয়কর যুদ্ধ বন্ধে ভূমিকা রেখেছেন ট্রাম্প।’
তিনি ট্রাম্পের “অসাধারণ রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব” এবং সংঘাত নিরসনে তার অঙ্গীকারের প্রশংসা করে বলেন, ট্রাম্প বিশ্বের নানা উত্তেজনাপূর্ণ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
রয়টার্স জানিয়েছে, থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়া উভয় দেশের নেতাদের সাথে ট্রাম্পের একটি ফোন কলেই যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা শুরু হয়।
গত সপ্তাহে কম্বোডিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী এমন পরিকল্পনা ঘোষণা করার পর এই মনোনয়ন প্রত্যাশিত ছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কম্বোডিয়ার পণ্য আমদানিতে ১৯ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। এজন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন উপ-প্রধানমন্ত্রী।
এরআগে পাকিস্তান ট্রাম্পকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য আনুষ্ঠানিক মনোনয়ন দিয়ে নোবেল কমিটিকে চিঠি দেয়।
গত জুলাইয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুও ট্রাম্পকে নোবেল পুরস্কারে মনোনীত করার কথা জানান।
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন



