চীনের হয়ে দুর্নীতি, ফিজির ব্যক্তিকে নিষেধাজ্ঞা দিল যুক্তরাষ্ট্র

চীনের হয়ে দুর্নীতি, ফিজির ব্যক্তিকে নিষেধাজ্ঞা দিল যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: আল-জাজিরা

চীনা পক্ষের হয়ে দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে ফিজিভিত্তিক এক ব্যক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তিনি চীনের সরকারি, ব্যবসায়িক ও অপরাধী স্বার্থ এগিয়ে নিতে ফিজির নাগরিকদের ঘুস দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

বিজ্ঞাপন

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বুধবার এক বিবৃতিতে জানায়, ঝাও ফুগাং ফিজির রাজধানী সুভায় অবস্থিত ওভারসিজ চাইনিজ সার্ভিস সেন্টারের পরিচালক। সরকারি পদ ব্যবহার করে ফিজির নাগরিকদের ঘুস দিয়ে তিনি চীনা স্বার্থ এগিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, ঝাওয়ের কর্মকাণ্ড ‘গুরুতর দুর্নীতির’ শামিল। এতে ফিজিতে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার ফলে ঝাও এবং তার নিকট পরিবারের সদস্যরা সাধারণভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অযোগ্য হবেন।

ফিজির রাজধানী সুভায় মার্কিন দূতাবাস বলেছে, ঝাওয়ের কর্মকাণ্ডের কারণে চীনা সরকারি, ব্যবসায়িক ও অপরাধী পক্ষের মাধ্যমে ‘ক্ষতিকর বিদেশি প্রভাব’ বিস্তারের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

দূতাবাস আরো বলেছে, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক থাকা অপরাধীদের তৎপরতার একটি ধারাবাহিক প্রবণতা রয়েছে।

বেইজিংয়ের ভাষ্য, ওভারসিজ চাইনিজ সার্ভিস সেন্টার বিদেশে থাকা চীনা নাগরিকদের প্রশাসনিক কাজে সহায়তা করে। এর মধ্যে গাড়ি চালানোর লাইসেন্স নবায়নের মতো সেবাও রয়েছে। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, এসব কেন্দ্র বিদেশে চীনের স্বার্থ এগিয়ে নেওয়ার আড়াল হিসেবে কাজ করে। ভিন্নমতাবলম্বীদের টার্গেট করার অভিযোগও রয়েছে এসব কেন্দ্রের বিরুদ্ধে।

চীনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপদেশের দুই নেতার বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন।

তখন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক নোটিসে অভিযোগ করা হয়, পালাউয়ের সিনেটের প্রেসিডেন্ট হকন্স বাউলেস এবং মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের সাবেক মেয়র অ্যান্ডারসন জিবাস এমন সুযোগ তৈরি করেছিলেন, যার ফলে ওই অঞ্চলে চীনের প্রভাব বাড়তে পারে।

এএম

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন